Saturday, June 29, 2013

মশার বিরুদ্ধে মেসি লড়াই

এবার মশার বিরুদ্ধে লড়বেন লিওনেল মেসি! অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। পৃথিবীতে তো ভয়ংকর প্রাণীর সংখ্যা কম নয়। বাঘ, ভালুক, হাঙর—এগুলোর সঙ্গে লড়লেও না হয় একটা কথা ছিল। কিন্তু এত প্রাণী থাকতে মেসি কেন লড়তে যাচ্ছেন মশার বিরুদ্ধে?
ব্যাপারটা পানির মতো পরিষ্কার। ছোট্ট হলেও এই মশা বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের কারণ। মেসির লড়াইটা ওই মশাবাহিত রোগের বিরুদ্ধে। মশা যত রোগ ছড়ায়, তার মধ্যে ম্যালেরিয়াতেই মারা যায় সবচেয়ে বেশি মানুষ। কেবল আফ্রিকাতেই এই রোগে মৃত্যুর হার প্রায় ৯১ শতাংশ। 
মেসি মশা মারতে কামান দাগবেন না। তিনি বিতরণ করবেন মশারি। আফ্রিকা মহাদেশের ১০টি দেশে তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে বিতরণ করবেন ম্যালেরিয়ার জীবাণু বাহক মশা প্রতিরোধের মশারি। কাতারভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যাসপায়ার ফুটবল ড্রিমের হয়ে মেসির এই কার্যক্রম। আফ্রিকার ১০টি দেশে চার লাখ মশারি বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। 
মেসির এই মহতী কর্মের শুরুটা হয়েছে সেনেগাল থেকে। ভবিষ্যতেও এই লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন হালের জনপ্রিয় ফুটবল তারকা। একটি বিষয় মেসিকে এই কর্মযজ্ঞে নামতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি অবাক হয়ে জেনেছেন, ফুটবল মাঠে যে ৯০ মিনিট প্রতিপক্ষকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকেন মেসি, সেই ৯০ মিনিটে সারা বিশ্বে ম্যালেরিয়ায় মারা যায় ১৮০টি শিশু। এই তথ্য জেনে ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাওয়ার সংকল্প ঝরেছে মেসির কণ্ঠে, ‘ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে অবিরাম কাজ করে যাওয়াই অমার সংকল্প। ভবিষ্যতেও এ ব্যাপারে কাজ করার সুযোগ পেলে তাতে অংশ নিতে দ্বিধা করব না।’ সূত্র: বিবিসি স্পোর্টস

দুবাইয়ে বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালকের অসাধারণ সততা

হ্যালো’, ফোনের ওপাশের কণ্ঠস্বরে ব্যস্ততা আর ক্লান্তির মিশেল।
‘আব্দুল হালিম বলছেন?’
বাংলায় প্রশ্ন করতেই কিছুক্ষণ নীরবতা। ওপাশের মানুষটা বোধ হয় মুঠোফোনের পর্দায় তাকিয়ে নিশ্চিত হলেন, ফোনটা বাংলাদেশ থেকেই এসেছে। ‘জি ভাই, বলেন,’ আব্দুল হালিমের গলার স্বরে এবার আন্তরিকতা। ক্লান্তি-ব্যস্ততা হাওয়া!
দুবাইয়ের ট্যাক্সিচালক তিনি। হাসি-খুশি তরুণ আর তাঁর পেছনের ঝলমলে শহরটা কল্পনায় দেখতে পাচ্ছিলাম। কথা বলতে বলতে মনে হলো কোথায় ঝলমলে শহর, কোথায় দুবাই? এ যে আমাদের কুমিল্লার কালিন্দীপাড়া গ্রামের আব্দুল হালিম, ডাকনাম শুভ! দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও আব্দুল হালিমের কণ্ঠে ‘বিদেশি বাতাস’ খুব একটা লাগেনি। মনটা এখনো এ দেশেই পড়ে আছে।
ইন্টারনেট, পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল বিভিন্ন সূত্র থেকে ইতিমধ্যেই অনেকের আব্দুল হালিমের গল্প শোনা হয়ে গেছে। তাঁর নিজ মুখে শুনব বলে আরও একবার জানতে চাইলাম। লম্বা একটা দম নিয়ে আব্দুল হালিম শুরু করলেন, ‘সেদিন ছিল ২৫ মে...।’

চিচিং ফাঁক
আব্দুল হালিম দুবাইয়ের রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (আরটিএ) অধীনে চাকরি করেন। সকালবেলা ট্যাক্সি নিয়ে বের হন, বিকেলে আরেকজন চালকের হাতে ট্যাক্সি বুঝিয়ে দিয়ে তাঁর ছুটি। সেদিন ১১টা নাগাদ দুবাইয়ের জেএলটি এলাকার আলমাস টাওয়ারের সামনে থেকে আব্দুল হালিমের ট্যাক্সিতে উঠলেন দুজন মিসরীয় ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে থাকা বাক্সপেটরাগুলো রাখা হলো গাড়ির পেছনের ডালার ভেতরে। গন্তব্য গোল্ড সোউক। আধঘণ্টার যাত্রাপথ। সাড়ে ১১টা নাগাদ যাত্রী দুজনকে নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে দিয়ে হালিম নিজের পথ ধরলেন। সারা দিন আরও অনেক যাত্রী হালিমের ট্যাক্সিতে উঠলেন এবং নামলেন। যথারীতি বিকেল চারটায় ডিউটি শেষ হলো। গাড়ি ঠিকঠাক বুঝিয়ে দেবেন বলে শেষবারের মতো গাড়ির সবকিছু দেখে নিচ্ছিলেন হালিম। প্রতিদিনের অভ্যস্ততায় গাড়ির পেছনের ডালা খুললেন। দেখলেন, বাদামি রঙের একটি চামড়ার ব্যাগ।
অনেক যাত্রীই ভুল করে ব্যাগ ফেলে যান। এটা নতুন কিছু নয়। একবার এক পরিবার নাকি তাঁদের ছোট বাচ্চাটাকে ভুলে ট্যাক্সিতে ফেলে নেমে গিয়েছিল; এমন ঘটনাও প্রচলিত আছে এই ধনকুবেরদের শহরে। ব্যাগের মালিকের সন্ধান পেতে হলে ব্যাগটা খুলে দেখতে হবে, তা ছাড়া কৌতূহলও কিছুটা হচ্ছিল বৈকি। হালিম ব্যাগ খুললেন। এবং খুলেই তাঁর চোখ ছানাবড়া! ব্যাগভর্তি চকচকে ৫০০ দিরহামের বান্ডিল, সঙ্গে বেশ কিছু হীরার গয়না আর দামি ঘড়ি!
হালিম হতভম্ব! এমন ৫০০ দিরহামের অল্প কিছু নোট তাঁর মাসিক আয়। একসঙ্গে এতগুলো দিরহাম আগে কখনো চোখেও দেখেননি। এত দামি হীরার গয়নাও কখনো হাতে নিয়ে দেখার সুযোগ হয়নি। গাড়ির পেছনে পাওয়া এসব ধন-সম্পদ তাঁর কাছে রূপকথার গুপ্তধনের মতো; কিন্তু না। হালিম বড়জোর দুই মিনিট স্তব্ধ হয়ে থাকলেন, পরমুহূর্তেই তাঁর মনে হলো, যাঁর জিনিস তাঁকে ফেরত দেওয়া দরকার। হালিম সঙ্গে সঙ্গে আরটিএতে তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ফোন করলেন। তিনি দ্রুত ব্যাগটা কাছাকাছি কোনো থানায় পৌঁছে দিতে বললেন।
‘আমি থানার দিকে রওনা হলাম। এরই মধ্যে আমার কাছে থানা থেকে ফোন এল। আমার গাড়ির নম্বর জিজ্ঞাসা করল। বলল, “আপনি একটু থানায় আসেন।” আমি বললাম, দিরহামভর্তি ব্যাগের কথা বলবেন তো? আমি পেয়েছি। থানার দিকেই আসছি। তারা শুনে একরকম অবাকই হলো।’ বলছিলেন হালিম।

সততার পুরস্কার
হালিম ব্যাগসহ সবকিছু থানায় পৌঁছে দিলেন। থানায় বসেই তাঁরা গণনা করলেন। একটা নোটও এদিক-ওদিক হয়নি। সব মিলিয়ে নগদ দুই লাখ দিরহাম, আর প্রায় ১০ লাখ দিরহাম সমমূল্যের স্বর্ণালংকার ছিল ব্যাগের ভেতরে। সবকিছু ফেরত পেয়ে ব্যাগের মালিকের মুখটাও হয়েছিল দেখার মতো! দুবাইয়ের একটি পত্রিকার কাছে হালিম হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘তিনি খুশিতে প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। নাচবেন না ডিগবাজি খাবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’
দুবাইয়ের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের লোকজন প্রশ্ন করেছেন, ‘এতগুলো দিরহাম হাতের কাছে পেয়েও তুমি কী ভেবে ফেরত দিয়ে দিলে?’ শুনে আমাদের হালিমের সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘এটাই দুবাইয়ের ট্যাক্সিচালকদের নিয়ম।’
হালিমকে সততার পুরস্কার দিয়েছে আরটিএ কর্তৃপক্ষ। আরটিএর চেয়ারম্যান মাত্তার আল তায়ার নিজ হাতে হালিমের হাতে সনদ তুলে দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হালিফ আল রুমাইতি, জাবের আল-বাশার, চিফ ইন্সপেক্টর আবদুল আজিজ আল-সালেমিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মাত্তার আল তায়ার দুবাইয়ের পত্রিকাগুলোর কাছে বলেছেন, ‘আমরা তাঁকে (হালিম) নিয়ে খুবই গর্বিত।’ আব্দুল হালিম বললেন, ‘স্যার আমাকে বলেছেন, তুমি বাংলাদেশ সম্পর্কে আমাদের ধারণাই বদলে দিয়েছ।’
বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় উঠে এসেছে এই খবর। প্রতিটি খবরেই হালিমের নামের পাশে লেখা একটি শব্দে চোখ আটকে যায়—বাংলাদেশি! ‘আমার সঙ্গে সঙ্গে সবাই আমার দেশের কথাও বলে। এইটা খুব ভালো লাগে, ভাই।’ বলছিলেন হালিম। তিনি জানালেন, দুবাই এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ডের জন্য তাঁর নাম সুপারিশ করা হয়েছে। দুবাইয়ের শেখ প্রতিবছর একজনের হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন। তবে হালিমের সঙ্গে কথা বলে মনে হলো, মনের শান্তিটাই সবচেয়ে বড় পুরস্কার। ‘অনেকে বলে, তুমি তো টাকাটা নিয়ে নিতে পারতা। লুকায় ফেলতে পারতা। এসব করলে হয়তো বড়লোক হইতাম, কিন্তু ভাই, মনে তো শান্তি পাইতাম না। যাঁর টাকা তাঁরে ফিরায় দিছি। এখন দেখেন, কত ভালো আছি।’ হালিমের কণ্ঠে প্রশান্তি।
তথ্যসূত্র: এমিরেটস টোয়েন্টিফোর/ সেভেন, ইয়াহু নিউজ

গ্রামের নাম কালিন্দীপাড়া
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার কালিন্দীপাড়া গ্রাম। গ্রামের ঘরে ঘরে টেলিভিশন আছে, আছে স্যাটেলাইট সংযোগও। তবে মনু মিয়ার কথা আলাদা। মনু মিয়া বলছিলেন, ‘বাড়িতে ডিশ নাই। পোলারে নাকি টিভিতে দেখাইছে। আশপাশের মানুষজন কইছে। আমরা দেখতে পারি নাই। সবাই বলতেছে, আপনার ছেলে একটা ভালো কাজ করছে।’ হ্যাঁ, মনু মিয়াই আমাদের আব্দুল হালিমের বাবা। যে বাবা ছেলেকে ছোটবেলায় সৎ থাকতে শিখিয়েছেন, তাঁর আনন্দ আজ কতখানি? প্রশ্নের জবাব ইতিমধ্যেই একবার হালিমের কাছে পাওয়া হয়েছে, ‘ঘটনা যেদিন ঘটল, সেদিনই আমার স্ত্রীকে ফোন করছিলাম। আব্বা-আম্মার সঙ্গে কথা হইছে। তাঁরা খুব খুশি। আমি যে লোভ করি নাই, এইটাই আব্বা-আম্মার কাছে সবচেয়ে বড়।’ বাবা মনু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে পাওয়া গেল একই সুর, ‘কী যে খুশি হইছি, বইলা প্রকাশ করতে পারব না।’ মনু মিয়া একসময় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ আর সিলেট ক্যাডেট কলেজে ঠিকাদারের কাজ করেছেন। এখন বয়স হয়েছে, সংসারের দায়িত্ব ছেলেদের হাতে তুলে দিয়েছেন। ছেলে সততার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করছেন, বাবার চেয়ে খুশি আর কেই-বা হতে পারে।
আব্দুল হালিমের দুই ছেলেমেয়ে। ছেলে আজমাইন জুহায়ের আনজুমের বয়স ছয়, আর সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়েটার নাম সামিয়া জারিন সারা। স্ত্রী কোহিনূর আক্তার কুমিল্লার একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। কুমিল্লায় কোহিনূরের স্নাতকোত্তর পরীক্ষা চলছে। হালিমের বাড়ির সবার সঙ্গে যখন মুঠোফোনে কথা হচ্ছে, কোহিনূর গেছেন পরীক্ষা দিতে।
হালিমের এই অসাধারণ সততায় কে বেশি আনন্দিত—এই প্রতিযোগিতায় অবশ্য মনু মিয়ার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী শ্যামলা বেগম, আব্দুল হালিমের মা। বললেন, ‘আমরা দরিদ্র মানুষ। গরিবের তো সম্মানটাই সবচেয়ে বড়। টাকাপয়সা দিয়া কী হইব? ছেলে নিজের সম্মান রাখছে, আমাগো সম্মানও রাখছে। এইটাই বড়।’

Thursday, June 13, 2013

বাপ কা বেটা

জিয়া খানের আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলিউডের অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে সুরজ পাঞ্চোলি। এ ঘটনার পরপরই প্রখ্যাত ভারতীয় কলামিস্ট ও ঔপন্যাসিক শোভা দে তাঁর ব্লগে সুরজ ও আদিত্যকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেছেন, ‘লাইক ফাদার, লাইক সান।’ এতে আদিত্য ভীষণ ক্ষুব্ধ হলেও তাঁর অতীতের কীর্তি ঘাঁটলে শোভা দের উক্তিকে খুব বেশি ভুল বলা যায় না।

কারণ, আদিত্যের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, পরকীয়া জড়ানোর পাশাপাশি কিশোরী ধর্ষণের মতো গুরুতর সব অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জিনিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

জীবনের শেষ চিঠিতে প্রেমিক সুরজের বিষয়ে নানা গুরুতর অভিযোগ করে গেছেন সদ্য প্রয়াত বলিউডের অভিনেত্রী জিয়া খান। সেগুলোর মধ্যে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মতো বিষয়ও আছে। জিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বয়সে ২০ বছরের বড় এক নারীর সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়ে পড়েন সুরজ। পাঞ্চোলি পরিবারে গয়না সরবরাহ করতেন ওই নারী। সুরজের অনেক অত্যাচার মুখ বুজে সইলেও প্রেমিকের কাছ থেকে প্রতারণার বিষয়টিকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি জিয়া।


৩ জুন রাতে পশ্চিম মুম্বাইয়ের জুহু বিচসংলগ্ন নিজ বাসায় ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যার মতো কঠিন পথ বেছে নেন তিনি। এভাবেই মাত্র ২৫ বছর বয়সে নিভে যায় উঠতি এই তারকা অভিনেত্রীর জীবনপ্রদীপ।

আশির দশকে বলিউডে যাত্রা শুরু করেছিলেন সুরজের বাবা আদিত্য পাঞ্চোলি। এখন পর্যন্ত বিতর্কিত নানা কাণ্ড ঘটিয়ে বেশ কয়েকবার মুখরোচক সব খবরের জোগান দিয়েছেন ৪৮ বছর বয়সী এ তারকা অভিনেতা। বলাই বাহুল্য, এসব কীর্তির কারণে তিনি সমালোচিত হয়েছেন বিভিন্ন মহলে।


জিনিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদিত্য নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় বলিউডি অভিনেত্রী পূজা বেদির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। প্রেমিকা পূজা বেদির ১৫ বছর বয়সী কিশোরী কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল আদিত্যের বিরুদ্ধে।

২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল কঙ্গনা রানাউতের। ২২ বছরের ছোট কঙ্গনাকে প্রেমের জালে জড়িয়ে ফেলেন বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক আদিত্য। এমনকি জনসমক্ষে কঙ্গনার সঙ্গে থিতু হওয়ারও ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য তাঁদের সে সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি।

জিয়া খানের মা রাবেয়া আমিন তাঁর মেয়ের আত্মহত্যার জন্য সুরজের পাশাপাশি তাঁর বাবা আদিত্য পাঞ্চোলিকেও দায়ী করেছেন।


এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, আমার মেয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশ ছিল বলে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু সত্যিটা হলো, সুরজ ও তার বাবা আদিত্য পাঞ্চোলির কাছ থেকে অসহনীয় যন্ত্রণা পাওয়ার কারণেই আত্মহত্যার মতো কঠিন পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে জিয়া।’



জিয়ার আত্মহত্যার এক দিন পর গত ৪ জুন সুরজের পাশাপাশি তাঁর বাবা আদিত্যকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল মুম্বাই পুলিশ। তিনি আরও বলেন, বাবার উচ্ছৃঙ্খল আচরণ দেখতে দেখতেই বেড়ে উঠেছে সুরজ পাঞ্চোলি। বেশির ভাগ সন্তানই তার বাবাকে আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে চায়। সুরজও হয়তো তেমনটাই করেছে। সুরজের নৈতিক স্খলনের জন্য বাবা হিসেবে কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না আদিত্য।

মৌসুমী আঠারো বছর পর আবারো প্রতারণার শিকার!

১৯৯৫ সালে চিত্রনায়িকা মৌসুমী ছিলেন দেশের শীর্ষ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীদের একজন। সেসময় তাঁর বিশ্বস্ত সহকারী হিসাবে নিয়োজিত ছিলো শহীদ নামের এক ব্যক্তি। বিশ্বাস করে মৌসুমী শুটিং এর সময় তাঁর টাকা পয়সা থেকে শুরু করে দামী গহনা গচ্ছিত রাখতেন। একদিন এভাবেই একটি নতুন ছবিতে সাইনিং এর নগদ দুই লক্ষ টাকা শহীদের কাছে রাখেন। কিন্তু বাসায় ফেরার আগেই সেই টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে যায় শহীদ। পরবর্তীতে আর তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পঁচানব্বই সালে বাংলাদেশী টাকায় দুই লক্ষ টাকা মানে অনেক টাকা! দীর্ঘ আঠারো বছর পর আবারো বিশ্বস্ত সহকারী দ্বারা প্রতারণার শিকার হলেন মৌসুমী। তাঁর দীর্ঘদিনের দুই সহকারী রেজা ও আরিফের প্রতারণার কারণে বিষণ্ণতায়ও ভুগছেন তিনি।
প্রায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মৌসুমীর সহকারী ছিলেন তারা। মৌসুমীর অগোচরে সহকারী আরিফ ও রেজা এই চিত্রনায়িকার পারিশ্রমিক থেকে শুরু করে ঘরের টিভি, ফ্রিজ, এসিসহ সব কিছু থেকেই কমিশন নিয়েছে। গত সপ্তাহেই প্রথম বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। জানার পর রীতিমতো হতবাক হয়ে যান।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, "আমার ছেলেমেয়ে দুজন রেজার হাতে বড় হয়েছে। তার টাকার দরকার হলে আমার কাছ থেকে চেয়ে নিত। কিন্তু এ রকম প্রতারণার আশ্রয় নেওয়াটা বরদাশত করতে পারছি না।"

আঠারো বছর আগের ঘটনার শহীদের মতো আরিফও কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে যায়। সাথে বেশ কিছু টাকা ও দামি সম্পদ নিয়ে যায়। আরিফের হঠাৎ গায়েব হয়ে যাওয়া নিয়ে রেজাকে জেরা করলে বেরিয়ে আসে নানারকম গোপন তথ্য। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী একজন অভিনেতা জানান, পুলিশ এলেও রেজাকে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়নি। মৌসুমীর ছেলে ফারদিনের অনুরোধে রেজাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে বিশ্বাসভঙ্গের ভার কাটিয়ে উঠতে মৌসুমীর বেশ সময় লাগবে বলে মনে হচ্ছে।

নোভার অনাগত সন্তান গর্ভে নিয়ে বৌভাত

ছোটপর্দার গুণী অভিনেত্রী নোভা মা হতে যাচ্ছে- এ খবরে চমকে উঠেছিলেন অনেকেই! জানতে চেয়েছিলেন, নোভা বিয়েই বা করলেন কবে? ঘটনা হচ্ছে, ২০১১ সালেই নোভা গোপনে বিয়ের পিড়িতে বসেছেন, তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিতকতা পারিবারিকভাবেই সম্পন্ন হয়। ১১-১১-১১ তারিখকে স্মরণীয় করতেই এ দিনে নোভা ও তাঁর স্বামী, নির্মাতা রায়হান খান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আর আসছে জুলাইতে মা হচ্ছেন নোভা, ফলে এবার ধুমধামের সাথে অনাগত সন্তানকে গর্ভে নিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা বা বৌভাত করতে যাচ্ছেন এ দম্পতি।
বিয়ের পর নানা গুজব উঠলেও এতোদিন নোভা-রায়হান তাদের বিয়ে কথা অস্বীকার করেছেন। আর এখন যেহেতু সন্তানের প্রসঙ্গ এসেছে, তারা সবাইকে জানিয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত করতে। আগামী ১৪ জুন ধানমণ্ডির ফোর সিজনস রেস্টুরেন্টে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন নোভা ও রায়হানের আত্মীয় ও কাছের মানুষেরা।
এ প্রসঙ্গে নোভা বলেন, "দেড় বছর আগে বিয়ের পরই ইচ্ছে ছিল ঘটা করে অনুষ্ঠান করব। কিন্তু কিছুদিন পর আমার ভাই মারা যাওয়ায় তা হয়নি। এদিকে মা হতে চলেছি। এখন কাছের কয়েকজন মানুষকে নিয়েই বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করেছি। সবাই দোয়া করবেন আমার সন্তান যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে পৃথিবীতে আসতে পারে। সংসার গুছিয়ে আবার অভিনয়ে ফিরব।"
আগামী মাসেই মা হচ্ছেন নোভা, তাই ডাক্তারের পরামর্শে নোভা এখন পূর্ণ বিশ্রামে আছেন। অভিনয় জগৎ থেকেও সাময়িক বিরতিতে আছেন তিনি।


সালমান খানের স্পেশাল নাস্তা বাসি রুটি, চা

একটু অবাক হবার মতন খবর যে, প্রতিদিন সুদর্শন সালমান খান সকালে বাসি রুটি খান। সকালে যে গরম গরম রুটি-চাপাতি পান না সেজন্যে নয়, আগের দিনের রুটি পরের দিন সকালে নাকি তাঁর কাছে অমৃত সমান। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
সচরাচর সবাই সকালে গরম গরম ভাজা ডিম, পরোটা, ভাজি, টোস্ট এসব খেতেই ভালোবাসেন। সালমান খানের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে- স্বাস্থ্যবান এবং পেশীবহুল সুদর্শন বলিউডের এই নায়ক সকালে ঘুমের আড়মোড়া ভেঙ্গে প্রথমেই আগের রাতে বানানো বাসি রুটি চা দিয়ে খেয়ে নেন। আর এছাড়া সব সময়ই সালমান ঘরের তৈরী খাবার খেতে খুবই পছন্দ করেন। এমনকি তিনি যখন সেটে থাকেন, তখনও তাঁর প্রিয় খাবার ঘরের রান্না।

বলিউড তারকাদের আয়

ঝা চকচকে গাড়ি জমকালো পোশাকে বলিউড তারকাদের জীবন যে আর দশজনের মতই তা আমরা ক’জনই ভাবি? রূপালী জগতের আলোর বাইরে আমরা সাধারনরা তো তাদের কথা ভাবতেই পারি না। তাদের জীবন যাপন সবসময়ই রাজকীয়,আয়েশী কিংবা বিলাসীতায় ভরর্পু আর বিলাসী হবেনই বা কেন। তাদের দৈনিত আয় কত তা কি আপনি জানেন ? টাইমস অব ইন্ডিয়া সেটাই প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য সেটাই অনুবাদ করে দেয়া হল –

আমির খান : মিঃ পারফেকশনিস্ট দৈনিক আয়ের ব্যাপারেও পারফেক্ট। নতুন রুপে নতুন কোন বিষয় নিয়ে তিনি ক্যামেরার সামনে আসেন দর্শককে চমকে দিতে। তার দৈনিক আয় কত জানেন ? মাত্র ৫ কোটি রূপি।

কারিনা কাপুর : বিয়ে যে ক্যারিয়ারের জন্য প্রতিবন্ধকতা নয় সেটাই প্রমান করেছেন কারিনা কাপুর খান। জুয়েলারি থেকে শুরু করে ল্যাপটপের বিজ্ঞাপনেও তার সপ্রতিভ উপস্থিতি। তাইতো আয়ের অংকও অন্য নায়িকাদের চেয়ে বেশি। দিনে মাত্র ১.৫০ কোটি রূপি।

ক্যাটরিনা কাইফ : বলিউডের হার্টথ্যব ক্যাটরিনা কাইফ ও কি কম যান ? বিভিন্ন বিউটি প্রোডাক্ট,জুয়েলিসহ আরও অনেক কিছুর মডেল তিনি। তাইতো আয় ও কারিনার সমানে সমান। দৈনিক ১.০ কোটি রূপি।

শাহরুখ খান : বলিউড বাদশা শাহরুখ খান অভিনয়ের ফাঁকে বিজ্ঞাপনের জন্য বোধ হয় খুব কম সময়ই পান। তাই বলে আয় কিন্তু কম না। এখনও তিনি দৈনিক আয় করেন ১.৫০ থেকে ২ কোটি রূপি প্রায়।

রনবির কাপুর : তাকে ভাবা হয় শাহরুখের বিকল্প হিসেবে। নতুনদের মধ্যে রনবির এখন বেশিরভাগ ব্লগবাস্টার ছবির নায়ক। তরুনদের ক্রেজ। মোবাইল ফোন, মোটর বাইক কিংবা ঘড়ি সব ধরনের বিজ্ঞাপনেই তার সরব উপস্থিতি। আয়েও তিনি অন্যসব নতুনদের চেয়ে এগিয়ে। তার দৈনিক আয় কত জানেন ? মাত্র ৩ কোটি রূপি।

অক্ষয় কুমার : আয়ে বলিউডের আক্কুও পিছিয়ে নেই। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের বিজ্ঞাপনেও তিনি আছেন। তাইতো তার আয় মাত্র ৩.৫০কোটি রূপি।

দীপিকা পাড়ুকোন : বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়–কোনের শুরুটা হয়েছিল বিজ্ঞাপন দিয়ে। এরপর তিনি পেয়ে যান শাহরুখের জন্য ওম শান্তি ওম এ অভিনয়ের সুযোপ। সেই থেকে তাকে আর পিছনে ফিরতে হয়নি। তাইতো তা দৈনিক আয় ১ কোটি রূপি।

সালমান খান : তাকে বলা হয় একশ কোটির নায়ক। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে আছেন তিনি। সর্বশেষ ক্যাটরিনার সঙ্গে একটি স্যান্ডেলেন বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন। তার দৈনিক আয় ৩ কোটি রূপি।

Monday, June 10, 2013

আপনার যোনি সুস্থ রাখুন

এটি "সাধারন" যোনি কি. নারী অধিকাংশ মহিলার know.Each না এবং তার যোনি অনন্য. তারা সাধারণ বৈশিষ্ট্য ভাগ হলেও, মহিলা তার নিজস্ব গন্ধ এবং তার মাসিক চক্র সঙ্গে পরিবর্তিত হয় যে স্রাব একটি পরিমাণ আছে. যোনি যৌন সংসর্গ এবং শারীরিক কার্যকলাপ প্রতিক্রিয়ায় তরল উত্পাদন. আপনি সাদা বা হলুদ এবং একটি স্বতন্ত্র, কিন্তু খারাপ হয় না যে আপনার আন্ডারওয়্যার উপর অসম্মান staining খেয়াল করতে পারেন. এটা স্বাভাবিক ব্যাপার.
যোনি ভারসাম্য ধ্বংস করতে পারেন যে অনেক দিক:

     দরিদ্র স্বাস্থ্যবিধি
     অসুস্থতা
     ওরাল contraceptives এবং অ্যান্টিবায়োটিক মত ড্রাগস vaginosis অবদান রাখতে পারেন.
     Lactobacilli নিম্ন মাত্রার
     Douching যোনি জন্য সত্যিই খারাপ.
     শুক্রাণু অত্যন্ত ক্ষারীয়, তাই তারা যোনি মধ্যে এসে পৌঁছলে, যোনি তার আম্লিক অবস্থা স্থিতাবস্থা থেকে নিজেকে ফিরে হার্ড অতিরিক্ত কাজ করার প্রয়োজন হয়, এই গন্ধ একটি সংক্ষিপ্ত বৃদ্ধি হতে পারে.

সাধারণভাবে, আপনার যৌনাঙ্গে এলাকায় শুষ্ক এবং ভাল aired পালন দ্বারা যোনি জ্বালা এড়াতে পারবেন. আপনি নিম্নলিখিত উপায়ে এই কাজ করতে পারেন:

     শুধুমাত্র তুলো আন্ডারওয়্যার পরেন;
     Douche না;
     আপনি একাধিক অংশীদার আছে যদি কনডম ব্যবহার করা হবে;
     নিয়মিত প্যাড এবং tampons পরিবর্তন - অন্তত প্রতি 4-8 ঘন্টা;
     যোনি থেকে স্প্রে এবং deodorants এড়াতে;
     শুধুমাত্র unscented প্যাড এবং tampons ব্যবহার;
     প্যাড এবং tampons ব্যবহার করে বিকল্প অন্বেষণ;
     পরিধান এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্রীড়া জামাকাপড় সাঁতার কাটা স্যাঁতসেঁতে অপসারণ;
     টাইট চোস্ত জামাকাপড় এবং আপনার ত্বক পরবর্তী পরা কৃত্রিম উপকরণ এড়াতে;
     একটি অন্ত্র আন্দোলন urinating বা থাকার পরে ব্যাক সামনে থেকে নিশ্চিহ্ন করা;

মেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্য

ছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে চোদাচুদি থাক দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব ভোদা দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ
১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে চোদাচুদি করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস না চুদে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম চোদাচুদির চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে চোদার চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন মাল বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে। মেয়েদের “মাল আউট” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য চোদাচুদির কোন দরকার নেই।
৬. ভোদায় ধোন ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা ধোনের চেয়ে মোটা ধোনে মজা বেশী। লম্বা ধোনে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের ভোদার সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, ধোনের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় ধোনের দরকার হয় না। বাচ্চা পোলার ধোনেও এই মজা দিতে পারে।

পুরুষত্বহীনতা

কোন পুরুষের প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা হবে তা আগে থেকে বলা যায় না। আবার কেউ অন্যকে শেখাতে পারে না লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি। লিঙ্গের উত্থান একটি প্রাকৃতিক অবস্থা। রেসপিরেটোরি, সারকুলেটরী এবং স্নায়ুবিক কারণে লিঙ্গ উত্থিত হয়। কিন্তু আসল কারণটি হলো প্রাকৃতিক। তবে অনেক ক্ষেত্রে যৌন মনোদৈহিক সামাজিক কারণে ও অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণগুলো পুরুষত্বহীনতার জন্য স্বাভাবিকভাবে দায়ী সেগুলো হলো–
কঠিন ধর্মীয় বিশ্বাস।
যৌনতার জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা।
মাতৃত্বের কঠিন চাপ।
সমকামিতা পছন্দ করা।
নারীদেরকে ঘৃণা করা।
পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রলম্বিত হতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে যৌন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় এ রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নারীর উচিত পুরুষকে এ ব্যাপারে সহায্য করা। স্ত্রীর উচিত স্বামীকে সাহায্য করা। নৈতিক, সমাজিক,আর্থ-সমাজিক প্রোপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহন করা হয় সে গুলো হলো–

যৌনতার পরিপূর্ণ শিক্ষাদান।
সাইকোথেরাপী।
রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ানো।
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিঙ দেয়া।
নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেসটোস্টেরন ইনফেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া।
যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সমনে উপস্থিত করা। এক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
পেপাভেরিন ইনকেজশন লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে।
রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন।
যৌন উদ্দীপক গ্রন্থ পড়া উচিত।

চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা-
অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে যৌনমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানা কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে। মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে–

১. দাম্পত্য সমস্যা।
২. ধর্মীয় কুসংস্কার।
৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা।
৪. পূর্বের যৌন অমতার জন্য পাপবোধ।
৫. অকাল বীর্যপাত।
৬. যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।
৭. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।

অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-
১. এনাটোমিকাল বড় হাইড্রোসেল টঙিকুলার ফাইব্রোসিস।
২. কার্ডিওরেসপেরেটোরী মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন ইনজিনা ফাইমোসিস।
৩. জেনিটো ইউরিনারী প্রিয়াপিজম প্রোসটাটিটিস ইউরেথ্রিটিস প্রোসটাটেকটমী।
৪. এন্ড্রোক্রাইনাল, ডায়াবেটিস থাইরোটঙিকোসিস স্থুলতা ইনফা্যান্টালিজম ক্যাসট্রেশন এক্রোমেগালি।
৫. নিউরোলজিক্যাল, মাল্টিপোল, সিরোসিস, অপুষ্টি, পারকিনসন্স অসুখ, টেমপোরাল লবের সমস্যা, স্পাইরাল কর্ডের আঘাত, ই.সি.টি।
৬. ইনফেকশন, টিউবারকিলোসিস, গনোরিয়া, মাম্পস।
৭. ড্রাগ নির্ভরতা, এলকোহল সেবন, স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ, এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ, সাইকোট্রপিকস ওষুধ, যেমন-ইমিপ্রামিন, ডিউরেটিঙ। যেমন-রেজারপাইন।

রোগ নির্ণয়-
যে কোনো ধরণের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত যৌন সমস্যা কেন সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারণের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষ উত্থান সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয়–

১. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস,
২. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।
৩. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।
৪. রোগীর লিঙ্গ পরীক্ষা।
৫. ল্যাবটেষ্ট।
৬. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরি।

রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয় । ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটির কারন শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নিরীার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা ল্য করা। এছাড়া ও স্নায়ু এবং তলপেট ব্যবস্থা কতটুকু সুস্থ আছে এটিও ডাক্তারদেরকে জানতে হয়। লিঙ্গ পরীক্ষার সময় ডাক্তার যে বিষয়গুলো ল্য করেন।
প্রিপিউজ-ফাইমোসিসের জন্য।
মূত্রনালীর মুখ- স্টেনোসিসের জন্য।
অন্ডথলি-হাইড্রোসেলের জন্য।
করপরা কেভারনোসা-যে কোনো প্রকার ফাইব্রেসিসের জন্য।

ল্যাবরেটরী টেষ্ট-
ল্যাবরেটরীতে ডাক্তার রোগীর বিভিন্ন শারীরিক বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। এতে করে দ্রুত সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়। ল্যাবরেটরীতে পুরুষত্বহীনতার জন্য যে সমস্ত টেষ্ট করানো হয় সেগুলো হলো–

সি.বি.সি।
ই.এস.আর।
মূত্র পরীক্ষা।
লিভারের এনজাইম পরীক্ষা।
বীর্য পরীক্ষা।
থুথু পরীক্ষা।
এস এম এ ১২।
টেসটোসটেরন স্তন পরীক্ষা।
প্রেল্যাকটিন স্তন পরীক্ষা।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে। এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গভেষণার বিষয় তিনটি হলো–

১. যৌনতার ব্যাপার পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।
২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।
৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারণে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোনো রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।

যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।
যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। এবং পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপের একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।
যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানানো উচিত। অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরী হতে পারে। এ ব্যাপারটি দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত।
পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। বিশেষ করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, কিটোরিস ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের স্পর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে।
লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরী করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। 

শারীরিক মিলনের নানা দিক

ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে—
* ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়| আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
* জীবন কাল বাড়ে : নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
* ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় : বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
* পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় : যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
* মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি : মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
* ভালোবাসা বাড়ে : শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
* কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে : শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

* ভালো ঘুম হয় : শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
* আত্মবিশ্বাস বাড়ে : শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
* ওজন কমে : শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
* সৌন্দর্য্য বাড়ে : শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
* ভালো ত্বক : শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
* প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় : নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
* হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি : শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
* কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি : মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
* বিস্বস্ত তা বাড়ে : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
* রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় : শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শ

রানি প্রথম এলিজাবেথ পুরুষ ছিলেন!

 টিউডর বংশের যে রানি প্রথম এলিজাবেথকে এত দিন মহান সম্রাজ্ঞী হিসেবে চিনে, জেনে, মেনে এসেছেন ব্রিটেনবাসী, তিনি নাকি পুরুষ। নিছক নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে এক সাদামাটা গ্রাম্য বালককে প্রথম এলিজাবেথ সাজিয়ে রাজা অষ্টম হেনরির সামনে হাজির করেছিলেন তার দুই সভাসদ। সেই গ্রাম্য বালককেই এত দিন ধরে প্রথম এলিজাবেথ হিসেবে জেনে এসেছে ব্রিটেন।
 
তাঁর নতুন উপন্যাস নিউ ইয়র্কের ব্যালান্টাইন বুকস থেকে প্রকাশিত ‘দ্য কিংস ডিসেপশন’-এ এমনই দাবি করেছেন মার্কিন লেখক স্টিভ বেরি। এবং সেই দাবির পক্ষে বক্তব্য, পুরুষ হওয়ার কারণেই কখনও বিয়ে করেননি ‘প্রথম এলিজাবেথ’।
 
ইতিহাস বলছে, ১৫৫৮ সালে সিংহাসনে বসার পর প্রথম এলিজাবেথ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন বিয়ে করবেন না। স্পেনের তৎকালীন শাসক তাঁর বড় ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব পেড়েছিলেন এলিজাবেথের কাছে। কিন্তু রানি প্রত্যাখ্যান করেন তা। এর পর স্পেনের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। স্টিভের প্রশ্ন, বিবাহ সম্পর্ক তৈরি করে যে যুদ্ধ অনায়াসেই এড়াতে পারতেন, তাতে কেন জড়িয়ে পড়লেন রানি? পড়লেন, নিজের আসল পরিচয় ঢাকতে। যে পরিচয় লুকিয়ে আছে দক্ষিণ পশ্চিম ব্রিটেনের গ্লস্টারশায়ার কাউন্টির ছোট্ট গ্রাম কটসওল্ডে। এমনটাই দাবি ওই মার্কিন লেখকের।
 
স্টিভ লিখেছেন: সালটা ১৫৪৩। বছর দশেকের ছোট্ট এলিজাবেথ তখন কটসওল্ডে। লন্ডনে প্লেগ ছড়িয়েছে। তাই মেয়েকে বাঁচাতে কটসওল্ডে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজা অষ্টম হেনরী। বেশ কিছু দিন পরে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই বিপর্যয়। রাজা আসার আগের দিন রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এলিজাবেথ। প্রথমে জ্বর, তার পর বমি, তড়কা। অসুস্থতা ক্রমেই বাড়ছে। পর দিন সকালে মারাই গেলেন এলিজাবেথ। অষ্টম হেনরির কটসওল্ড পৌঁছতে তখন আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি।
 
প্রমাদ গুনলেন এলিজাবেথের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা লেডি ক্যাট অ্যাশলে এবং টমাস প্যারি। এখন কী হবে! মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পেলে রাজা গর্দান তো নেবেনই, মারবেন দগ্ধে দগ্ধে। কারণ, এলিজাবেথকে রক্ষা করার ভার যে তাঁদের উপরেই ছিল।
 
প্রাণ বাঁচাতে তাই ফন্দি আঁটলেন ক্যাট এবং টমাস। রাজার সঙ্গে যে তাঁর মেয়ের দেখা সাক্ষাৎ বিশেষ হতো না, সে খবর জানা ছিল তাঁদের। এলিজাবেথ ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। তাঁর মায়ের গর্দান নিয়েছিলেন যে বাবা, তাঁর সঙ্গে কথাও বলতেও ভয়ে কাঁপতেন তিনি।
 
তাই রাজার চোখে ধুলো দেওয়া যাবে মনে করে প্রথমে এলিজাবেথের মতো দেখতে একটা মেয়ে জোগাড় করার চেষ্টা চালালেন ক্যাট ও টমাস। সম্ভবত খানিকটা সময় কিনতে। যাতে রাজা বুঝে ওঠার আগে তাঁরা পালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু কপাল মন্দ। কটসওল্ডে বাসিন্দার সংখ্যা বেশি নয়।
 
তেমন কোনও মেয়ে পাওয়া গেল না। তখন যা থাকে কপালে ভেবে গ্রামের এক সাদামাটা বালক, নাম নেভিল, তাকেই এলিজাবেথ সাজিয়ে হাজির করলেন হেনরির সামনে। আশ্চর্য এই যে, বাবাও বুঝতে পারলেন না, এ তাঁর মেয়ে নয়।
 
ক্যাট আর টমাস বুঝলেন, কেল্লা ফতে। স্বয়ং রাজাকে যখন ঠকানো গিয়েছে, তখন বাকিরা কোন ছার! আর রাজবাড়ির কারও সঙ্গেই এলিজাবেথ বিশেষ কথার্বাতা বলতেন না। ফলে আসল-নকলে কেউ ফারাক করতে পারবে না এমনটাই মনে হয়েছিল তাঁদের। নেভিলের বদলে একটা মেয়ে জোগাড় করার চেষ্টা অবশ্য চালিয়েছিলেন ক্যাট-টমাস। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে ঠিক করলেন, নেভিলকে রাজকীয় আদবকায়দা শিখিয়ে দেওয়াটাই নিজেদের পিঠ বাঁচানোর সব চেয়ে ভাল উপায়। স্টিভের দাবি, কৌশলটা কাজে লেগে গিয়েছিল। শেষ দিন পর্যন্ত বিশেষ কেউ জানতে পারেননি সত্যিটা।
 
খালি একজন ছাড়া। তিনি এলিজাবেথের চিফ মিনিস্টার উইলিয়াম সেসিল। সেসিল অবশ্য শেষ দিন পর্যন্ত সেই রহস্য ফাঁস করেননি। স্টিভের মতে, এর কারণটা ছিল এই যে, সত্যিটা ফাঁস হয়ে গেলে, ব্রিটেনে গৃহযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ত। কারণ, টিউডর বংশের উত্তরাধিকারি হিসেবে তখন সে অর্থে সিংহাসনের আর কেউ দাবিদার নেই। তাই বাধ্য হয়েই মুখ বন্ধ রেখেছিলেন সেসিল।
 
তার পর টেমস দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। চার শতকেরও বেশি সময় পুরনো সেই সত্য যে গুটিকয় মানুষ জানতেন, মারা গিয়েছেন তাঁরাও। খালি কটসওল্ডে গুজব আকারে কাহিনিটি ঘোরাফেরা করে। সেই গুজবের সূত্র ধরেই উপন্যাস লিখেছেন স্টিভ। যদিও তাঁর দাবি, এ নিছক গল্প নয়। এ হল, রাজ ইতিহাসের প্রাচীনতম চক্রান্ত। দেড় বছর নানা তথ্য ঘেঁটে যে চক্রান্তের রোমহর্ষক বিবরণ লিখেছেন স্টিভ।
 
এলিজাবেথ যে আদতে পুরুষ ছিলেন তা বোঝাতে বেশ কিছু পরোক্ষ প্রমাণ তুলে ধরেছেন ‘দ্য কিংস ডিসেপশন’-এর লেখক। বলেছেন, কটসওল্ড থেকে লন্ডনে ফেরার পর যখন ফের লেখাপড়া শুরু করেন কিশোরী এলিজাবেথ, তখন তাঁর স্বভাব, আচরণের পরিবর্তন দেখে প্রচণ্ড বিস্মিত হন তার গৃহশিক্ষক। এমনকী, নরম, পেলব এলিজাবেথের শারীরিক গড়ন পাল্টে পুরুষালি হতে থাকে। এলিজাবেথের আগের ও পরের ছবির মধ্যে সেই ফারাক স্পষ্ট।
 
কিন্তু এ সবই তো অনুমান। পাথুরে প্রমাণ জোগাড় করতে তাই স্টিভের দাবি, অবিলম্বে খোঁড়া হোক প্রথম এলিজাবেথের কবর। ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হোক, তা ছেলে না মেয়ের।

   

মাদকাসক্ত দম্পতির কাণ্ড!

মাদকের নেশার টাকা জোগার করতে না পেরে নিজের শিশু সন্তানকে হিজড়ার কাছে বিক্রি করে দিলেন এক মাদকাসক্ত দম্পতি। মাত্র এক হাজার একশত এক টাকা এবং দু’টি শাড়ীর বিনিময়ে এই শিশুটিকে বিক্রি করা হয়।

হাকিমপুর উপজেলার মধ্যবাসুদেবপুরের চুড়িপট্টি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চ্যলের সৃষ্টি হয়েছে।

চুরিপট্টি গ্রামের রেজাউল করিম জানান, দুলালি(কালি)হিজড়া (৪০) দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে আমার বাড়ীতে ভাড়া থাকে। শনিবার বিকেলের দিকে মাদকাসক্ত স্বামী-স্ত্রী দু’জনই বাড়ীতে ঢুকে তাঁর কোলের শিশুপুত্রকে  আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া দুলালি হিজড়ার কাছে বিক্রি করে।

দুলালি (কালি)হিজড়া বলেন, বাচ্চার মা ও বাবা দু’জনই হেরোইন খায়। তাঁরা হেরোইন খাওয়ার টাকা না পেয়ে তাদের শিশু সন্তানকে আমার কাছে বিক্রি করে। আমার বড় বোনের কোনো ছেলে মেয়ে না থাকায় আমি বাচ্চাটিকে তাদের জন্য কিনে নেই। এক হাজার একশত এক টাকা এবং দু’টি শাড়ীর বিনিময়ে বাচ্চাটিকে আমি কিনি।

তিনি আরও জানান, বাচ্চাটিকে ঠিকমত দুধসহ অন্যান্য খাবার দিতে না পারায় বাচ্চাটি ওই সময় খুব কান্নাকাটি করছিল। এ কারণে আমার মায়া লাগায় আমি বাচ্চাটিকে লালন-পালনের জন্য কিনে নেই। শনিবার বাচ্চাটিকে কিনে নেওয়ার পর থেকে কৌটার দুধ, গরুর দুধ কিনে খাওয়াচ্ছি।যত্নকরায় বাচ্চাটি ফুটফুটে হয়েছে।

প্রতিবেশি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, নেশার টাকা যোগাড় করতে না পেয়ে মাদকাসক্ত স্বামী-স্ত্রী তাদের ফুটফুটে শিশু সন্তানটিকে বিক্রি করেছে। প্রতিদিন তাঁরা এই চুড়িপট্টিতে এসে হেরোইন খেয়ে আবার চলে যায়। বাচ্চার বাবার নাম শামছুল আর মায়ের নাম নুরজাহান বলে তিনি জানান।

দুলালি(কালি) হিজড়ার ভগ্নিপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাতে দুলালি ফোন করে জানায় তোমাদের জন্য একটা বাচ্চা কিনেছি। তোমরা কাল (আজ রোববার) চলে আসো। তাই নাটোরের বাগাতিপাড়ার বাটিকামারী থেকে বাচ্চাটিকে নিতে এসেছি।

দুলালি (কালি) হিজরার বোন আলেয়া বেগম (৪৫) আবেগাপ্লাতু হয়ে বলেন, বাচ্চাটিকে পেয়ে আমার উজার কোল আলোকিত হয়েছে। আমার জীবন এখন পূর্ণ হলো। আমরা বাচ্চার নাম রেখেছি শাহা আলম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মাদকসেবি বলেন, আমরা জানি বাচ্চার মা ও বাবার বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে। সেখান থেকে তাঁরা প্রতিদিন ট্রেনে করে হিলিতে এসে এপার-ওপারে (ভারত) খালি বোতল, পলিথিনসহ কাগজ কুড়ে বিক্রি করে যা জুটতো তাই দিয়ে দু’জনেই হেরোইন খেতো। কোনোদিন এখানে থাকে, আবার  কখনও পার্বতীপুরে চলে যায়।

স্থানিয় এলাকাবাসী রাশেদা বেগম ও মাছুদা বেগম বলেন, গত শীতের সময় হেরোইন খেতে এসে বাচ্চাটি পাশের একটি জায়গায় জন্ম নেয়। ওই সময় থেকে বাচ্চাটিকে দেখে আসছি। তাদের নেশার টাকা ও বাচ্চার খাবারের টাকা যোগাড় করতে না পারায় তারা বাচ্চাটিকে বিক্রি করেছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আহসান হাবীব বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
   

জিয়া খানের সুইসাইড নোটে যা লেখা ছিল

অনেকটা রহস্যের জন্ম দিয়ে কদিন আগে চলে গেছেন বলিউডের তরুণ অভিনেত্রী জিয়া খান। সত্যিই কি আত্মহত্যা করেছিলেন জিয়া? নাকি অন্যকোনো কারণ আছে এর পেছনে? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে জিয়া খানের লিখে যাওয়া সুইসাইড নোটে।    
 
‘এ চিঠি যখন সবাই পড়বে, তখন হয়তো আমি আর এ পৃথিবীতে থাকব না’—সদ্য প্রয়াত বলিউডের অভিনেত্রী জিয়া খানের সুইসাইড নোটের একটি লাইন এটি। উঠতি এই তারকার অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ছয় দিন পর পুলিশের কাছে এটি হস্তান্তর করেছেন জিয়া খানের পরিবারের সদস্যরা।
 
এ প্রসঙ্গে পশ্চিম মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিশ্বাস নাগরে পাতিলের উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ জানিয়েছে, ‘আমাদের কাছে নোটটি হস্তান্তর করেছেন জিয়া খানের মা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
 
জিয়ার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, গত শুক্রবার তাঁরা জিয়ার হাতের লেখা সুইসাইড নোটটি খুঁজে পান। ছয় পৃষ্ঠার নোটটিতে প্রেমিক সুরজ পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বিশদভাবে অনেক কিছুই লিখেছেন জিয়া। সুরজকে অনেক বিশ্বাস করলেও তাঁর কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার কথাও লিখেছেন তিনি।
 
অবশ্য নোটটি জিয়া কখন লিখেছিলেন কিংবা পরিবারের সদস্যরা সেটা কোথায় এবং কীভাবে খুঁজে পেয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ নোটের সঙ্গে জিয়া খানের হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যেই জিয়ার সুইসাইড নোটের কয়েকটি কপি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে।
 
বলিউডের উঠতি অভিনেত্রী জিয়া খান পশ্চিম মুম্বাইয়ের জুহু বিচসংলগ্ন নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন ৩ জুন, সোমবার রাতে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গলায় ফাঁস লাগানোর কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জিয়া।
 
 
অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে জিয়ার প্রেমিক সুরজ পাঞ্চোলিকে। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে জিয়া সর্বশেষ ফোনে কথা বলেছিলেন তাঁর সঙ্গে। এ জন্য পুলিশি জেরার মুখেও পড়তে হয়েছে সুরজকে। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।
 
এদিকে, জিয়া আত্মহত্যা করার পর থেকেই তাঁর মৃত্যুর জন্য সুরজকে দায়ী করার বিষয়টিকে মেনে নিতে পারেননি সুরজের বাবা ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি। এ প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, ‘সুরজ কী দোষ করেছে? অহেতুক কেন তাকে এ ধরনের অপবাদ দেওয়া হচ্ছে? নানা কারণে ভালোবাসার মতো সুন্দর একটি সম্পর্কে দুর্যোগের ঘনঘটা আসতেই পারে। হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে।’
 
আদিত্য আরও বলেন, ‘প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েনের জন্য কখনোই একপক্ষকে দায়ী করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে একপেশে রায় দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। জিয়ার মৃত্যুতে প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছে সুরজ। সে গভীরভাবে মর্মাহত। শুধু সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণেই জিয়া আত্মহত্যা করেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।’
 
বলিউডে ডুবন্ত ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক দিন থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন জিয়া খান। আট মাস আগে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কবজির রগ কেটে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলেও, সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী। তাঁর ঘরে ভেষজ ঘুমের বড়িও খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ।
 
জিয়া খান শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন ১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দিল সে’ ছবিতে। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০০৭ সালে অভিনয় করেন রাম গোপাল ভার্মার ‘নিঃশব্দ’ ছবিতে। ছবিটিতে অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন জিয়া। পরে অভিনয় করেন ‘গজনি’ (২০০৮) ও ‘হাউসফুল’ (২০১০) ছবিতে। ২৫ বছর বয়সী জিয়া খানের বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে। কিছুদিন আগে মা রাবেয়া আমিনের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে মুম্বাইয়ে চলে আসেন তিনি। থাকতেন জুহু বিচসংলগ্ন সাগর সংগীত নামের একটি ফ্ল্যাটে।

   

একটী হৃদয়বিদারক গল্প

এক বৃদ্ধ মা তার ছেলে ,ছেলের বউ ও ছয় বছরের এক নাতীর
সাথে বাস করতো ।বৃদ্ধ মা খুব দুর্বল ছিল ।
সে ঠিকভাবে হাটতে পারতো না ,চোখে কম দেখতো ,বৃদ্ধ হওয়ার
কারনে তার হাত কাঁপতো ,কিছু ধরতে পারতো না । যখন বৃদ্ধ মা ,ছেলে ও ছেলের বউয়ের
সাথে রাতে একসাথে খেতে বসতো তখন প্রায় প্রতিদিন ই কোন
না কোন ঘটনা ঘটাতো ।কোনদিন হয়তো হাত কাপার ফলে দুধের
গ্লাস ফেলে দিয়ে টেবিল নষ্ট করতো ,আবার কোনদিন
ফ্লোরে তরকারী ফেলে দিত । প্রতিদিন খাওয়ার সময় এরকম ঝামেলা হওয়ায় ছেলে তার
মায়ের জন্য আলাদা একটি টেবিল বানিয়ে দিল ।
টেবিলটি ঘরের কোনায় সেট করে দিল ।বৃদ্ধ
মা সেখানে একা বসে খেত আর একা একা চোখের পানি ফেলতো । ছোট্ট নীতিটি এসব নিরবে দেখছিল । একদিন বৃদ্ধ মা কাঁচের প্লেট ভেঙে ফেললো ।বৃদ্ধের
ছেলেটি এজন্য তাকে কাঠের প্লেট কিনে দিল । একদিন সন্ধ্যায় বৃদ্ধের ছেলেটি দেখলো তার শিশু
বাচ্চা কাঠের টুকরা দিয়ে কি যেন বানাতে চাচ্ছে ।
বাবা তার ছেলের কাছে গিয়ে বললো ,বাবা তুমি কি করছো? তখন শিশুটি বললো ,আমি টেবিল ও একটি কাঠের প্লেট
বানাচ্ছি ।যখন আম্মু বুড়ো হবে তখন কিসে খাবে ! তাই
আগে থেকে বানিয়ে রাখছি ছেলের এরকম কথায় বাবা তার ভূল বুঝতে পারলো ।সেদিন
থেকে তার স্ত্রীকে বললো ,প্রতিদিন আমরা দুজন
মাকে খাইয়ে তারপর আমরা খাব । কিন্তু হায় ,যখন সন্ধ্যার পর তারা দুজন মাকে খাওয়ানোর জন্য
গেল তখন দেখলো ,তার গর্ভেধারিনী মা মারা গেছে । মা কে কষ্ট দিওনা
মা কে কষ্ট দিলে আল্লাহর আরষ কেঁপে ওঠে ।

collected

Sunday, June 9, 2013

ভালবাসা ও নষ্টামীর গল্প

আমি একজন ভাল না খারাপ ব্যক্তি সেটা সম্পূর্ণ আপেক্ষিক।কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে আমি একজন সফল ভাল ব্যবসায়ী।সবচেয়ে বড় কথা সবাই আমার চারিত্রিক গুনের প্রসংসা করে।
স্ত্রী ছাড়া অন্যকারো সাথে সেক্রা না করা যদি ভাল চরিত্রের লক্ষণ হয়, তাহলে আমি কিছুদিন আগে পর্যন্ত সস্পূর্ণ ভাল লোক ছিলাম।কেননা স্ত্রী ছাড়া তখন পর্যন্ত আমি কারো সাথে সেক্রা করি নেই।
এবার আসি আমার কথায়।আমি খুব কম বয়সে (২৩ বছর) বিয়ে করি।তখন সবে অনার্স পাস করেছি।সম্পূর্ণ বেকার অবস্থায় বিয়ে করি।বিয়ের পরপরই একটি ষ্টুডেন্ট কনসালর্টিং ফার্মে আমার চাকরী হয়।অল্পদিনেই ভাল করি এবং ১ বছর এর মাথায় একজন পার্টনার নিয়ে নিজে একটি কনসালর্টিং ফার্মের মালিক বনে যাই।এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।অল্পদিনে গাড়ি, ফ্লাটের মালিক হয়ে যাই।আমার কোম্পাণী শুরু করার ৬ মাস পরেই একটি মেয়ে এক পরিচিত সূত্রে আমার কোম্পানীতে চাকরীর জন্য আসে।বয়স মাত্র ১৭-১৮ বছর। হঠাত বাবা মারা যাওয়াতে অর্থনৈতিক ভাবে কোনঠাসা অবস্থায় আছে।তার আপন মামাতো ভাই, আমার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তখন বিদেশে যাওয়ার চেষ্ঠা করছিল(পরে ওকে আমরা স্টুডেন্ট ভিসায় সুইডেন পাঠিয়েছিলাম)।আমি সেই ছাত্রকে বলেছিলাম, আমাদের একজন ভাল চেহারার রিসিশনে মেয়ে লাগবে।সেই জানাল, তার এক মামাতো বোন খুব বিপদে আছে।কিন্তু পড়াশুনা বেশী করেনি।মাত্র এস.এস.সি পাশ।আমি আসতে বলেছিলাম।কথা বলে ভাল মনে হলো,ওকে নিয়ে নিলাম।আমার পার্টনার ছিল মূলত টাকার পার্টনার।ইনভেস্ট করেছিল।কিন্তু অফিস পুরো দেখতাম আমি।তাই উনিও আপত্তি করেনি।আমি ওকে প্রথমে ৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরী দিলাম।এরপর দিন যেতে লাগল, আমার প্রতিষ্টানও বড়ো হতে লাগল।অনেক কর্মচারী এলো গেলো, কিন্তু শায়লা (মেয়েটির নাম শায়লা) রয়ে গেল।দিন দিন শায়রার বেতন বাড়তে লাগল এবং ও রিসিপশান থেকে আমার ব্যক্তিগত সহকারী হয়ে গেল।শায়লা কাজ খুব ভাল ভাবেই বুঝে গেল।এমনকি আমার মেইল চেক পর্যন্ত ও করা শুরু করল।শায়লা আমাকে খুব সন্মান করতো এবং পছন্দ করত।কারণ অন্য কোম্পণীর মতো আমরা স্টুডেন্টদের টাকা মারতাম না।যাকে বুঝতাম সত্যি যাওয়ার চান্স আছে তার ফাইলই প্রসেস করতাম।এছাড়াও বিপদের সময় শায়লার পাশে ছিলাম।নিয়মিত বেতন বাড়িয়ে এখন ওর বেতন ২৫ হাজার টাকা!যা একটা এসএসসি পাস মেয়ে কখনও আশা করতে পারে না।সবচেয়ে বড় ব্যাপার অন্য বসদের মতো কখনও ওর দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকাই নেই।আমার ব্যক্তিত্বকেও শায়লা দারুণ সন্মান করে।এই করে কেটে গেল ৫টি বছর।ওদের পুরো পরিবার এখনও শায়লা নির্ভর ।কিন্তু, ওর একমাত্র ভাই এখন অনার্স পড়ছে।শায়লা অনেক আশা করে আছে,এই ভাই পরে ওদের সংসারের দায়িত্ব নিবে।আমার বয়স এখন ৩০ বছর আর শায়লার ২৩-২৪বছর।
এবার আমার কথায় আসি।বিয়ে করেছি প্রেম করে।এরপরই লাইফের চ্যালেঞ্জ।বড় কিছু করতে হবে।চাকরী এরপর ব্যবসা।তারপর গাড়ী, এরপর ফ্লাট।প্রথম নানা ছোট ইউনিভার্সিটি/কলেজের এজেন্সি।পরে আস্তে আস্তে বড় ইউনিভাসিটি এর এজেন্সি। এই টার্গেট সেটআপ আর সাফল্যের পিছনে ছুটতে ছুটতে ৭ বছর সময় কোন ফাক দিয়ে চলে গেছে লক্ষই করি নেই।আমার বউকে নিয়ে আমি সুখীই ছিলাম।তাই অন্য মেয়ের দিকে তাকানোর সময়ই পাই নেই।আমার একটা ছেলে আছে ৪বছর বয়স তার।
কিন্তু আস্তে আস্তে যেনো কোথায় সুর কেটে গেছে।আমার বউ এখন প্রায় আমার সাথে অকারণে ঝগড়া করে।আমার যেসব গুণ আগে পছন্দের ছিলো, সেগুলো পর্যন্ত তার অপছন্দ।যেই শ্বশুর বাড়ীর কেউ আমাকে মেনে নেয়নি। যাদের দেখানোর জন্য আমাকে এতো পরিশ্রম করতে হলো, তারাই ওর এখন আপন।আমি ওদের পছন্দ কেন করি না, সেটাও আমার অপরাধ।আমার বাসায় সারাদিন শ্বশুর বাড়ীর লোক ভর্তি থাকে।যা আমার নিরিবিলি জীবনের সবচেয়ে বিরক্তি জনক ব্যাপার।এরপরও সহ্য করে গিয়েছি।কিন্তু, আমি বুঝতে পারি, আমার স্ত্রীকে আমি বোধহয় আর ভালবাসি না।কেননা, যেই আমার,আমার বউ এর সাথে বিছানায় শুলেই দৈহিক মিলন হতো, সেই আমারই এখন সোনাই দাড়ায়না।আমার বউ মাঝে মাঝে চুসে দাড়া করায়।কিন্তু, আমার বউ সোনা চুসলে, ওর ভোদাও আমাকে চেটে দিতে হয়।যেই ভোদা আমার এতো প্রিয় ছিল, তাই চাটতে এখন ঘৃণা লাগে।আসলে আমি এখন বুঝতে পারি, আমার পক্ষে ভালবাসা ছাড়া দৈহিক মিলন সম্ববনয়।কেননা, প্রথম জীবণ থেকেই আমি মনে মনে লালন করে এসেছি, ভালবাসা ছাড়া শারিরীক সম্পর্ক করব না।কেননা, কুকুর বিড়ালও তো তাই করে।তাদের সাথে আমাদের তফাত শুধু মাত্র ভালবাসায়।
এখন আমি বেশী ভাগ সময় অফিসে থাকি।বাসায় ফিরি রাত ১০-১১টায়।অফিসে এখন আমি শায়লাকে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে লাগলাম। আমার মনে হলো, আমাকে শায়লার মতো কেউই এতো কেয়ার করেনা।আমার সবকিছুতেই ওর যতœ।আমার ছেলেও শায়লা আন্টি বলতে পাগল। কিন্তু, আমি বুঝতে পারি আমি জীবনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রেমে পড়তে যাচ্ছি।এবং এটাও জানি যে, এই প্রেমের ফল সর্ব্বোচ্চ দৈহিক সম্পর্ক।
আমি যা কখনও করি নেই, আস্তে আস্তে আমার ব্যক্তিগত সমস্যার কথা শায়লার সাথে শেয়ার করা শুরু করলাম।ও একদিন বলল, স্যার আপনি কি অসুস্থ।আমি ওকে বললাম, তা বলতে পারো।কিন্তু, সেটা মানুষিক ভাবে।ও বাস্তবিকেই উতকন্ঠিত হয়ে জানতে চাইল, কি হয়েছে।আমি বললাম, তুমি বসো।এরপর আস্তে আস্তে বলতে শুরু করলাম, আমার স্ত্রী এর সাথে আমার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না।আমার স্ত্রী বাসায় যতক্ষন থাকি শান্তি দিচ্ছে না।সারাক্ষণ ঝগড়া করছে।শ্বশুর বাড়ীর কথাও বললাম।ও বলল, আমি কি ভাবীর সাথে কথা বলব? আমি বললাম, তাহলে তোমাকে শুনতে হবে, আমার সাথে তোমার অবৈধ সম্পর্ক ইত্যাদি আজে বাজে কথা( আমার স্ত্রী রিসেন্টলী আমাকে এমন সন্দেহ করে।)। ও বলল, ভাবী কি কখনও এমন কিছু বলেছে।আমি বললাম, আগে বলত না।কিন্তু এখন প্রায় এমন ভিত্তিহীন কথা বলে।তুমিই বলো, আমি কি করে বুঝাই ওকে?ও বলে আমার মোবাইল সব সময় তুমি কেন ধরো।আমি যে সত্যি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ থাকি এ কথা বিশ্বাস করে না।
এইভাবে ওর সাথে পারসোনাল কথা বলা অনেক বেড়ে গেল।একদিন ওকে বললাম,তুমি একটা বিয়ে করে ফেল।তাহলে আর সন্দেহের কিছু থাকবে না।কেননা, আমার বউ জানে, ভালবাসা ছাড়া আমি আর যাই করি কার সাথে দৈহিক সম্পর্ক বা এই জাতীয় ব্যাপারে জড়াব না।আর বিবাহিত মেয়ের দিকে তাকানোটাকেই আমি নৈতিক ভাবে সমর্থন করি না।ও বলল, স্যার আপনি তো জানেন,আমি কতো অসহায়। আমার ভাইটা কিছু করার আগে আমার পক্ষে কিছু করা সম্ভব না।
এভাবে আস্তে আস্তে আমরা ফ্রি হতে লাগলাম।একদিন শায়লা বলল, স্যার ভাবী সত্যি লাকী।আপনার মতো একজন ফেরেস্তাকে লাইফ পার্টনার পেলো!!!আমি বললাম, আমি ফেরেস্তা নই।কিন্তু আমার জীবনের কিছু দর্শন আছে।আমি সেই মতো চলি।আচ্ছা তুমি আমাকে বলোতো তোমার কি কখনও এমন মনে হয়নি আমি তোমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করব বা এই জাতীয় কিছু?বসদের ব্যাপারে যা সাধারণের ধারণা। শায়লা বলল,সত্যিটা বলব স্যার?প্রথম যেদিন চাকরী দিলেন আপনি আমি ভেবেছিলাম আমার চেহারা ছাড়া আর কোন যোগ্যতাই নেই।আমাকে নিয়েছেন শুধু আপনের যৌন লালসায়।কিন্তু তখন আমার হাতে আর কোন অলটারনেটিভ ছিল না।তখন আপনি চাইলে নিষেদ করার সাহসও আমার ছিল না।পরে বুঝতে পারি আপনি এমন নয়। যাই হোক এমন করে আমাদের পারসোনাল গল্প অবসর সময়ে প্রায় হতো।
আমাকে প্রায় ব্যাবসার প্রয়োজনে বিদেশ যেতে হয়।তখন সাধারণত সাইদ আমার সাথে যেতো।ওই আমাকে এসিষ্ট করতো।এর মাঝে সাইদ নিজেই একটা ফার্ম খুলে চাকরী ছেড়ে দিল।এদিকে নিউজিল্যান্ডের একটা ইউনির্ভাসিটির সাথে গুরুত্বপূর্ণ সাইনিং আছে।আমাকে এসিষ্ট করার মতো কেউ নেই।এক্ষেত্রে শায়লাই একমাত্র ভরসা।কিন্তু বাসায় যদি জানতে পাওে শায়লা সাথে যাচ্ছে, কুরুক্ষেত্র হয়ে যাবে।শায়লাকে সমস্যাটা বললাম।ও বলল,স্যার টেনশান করবেন না।ভাবী জানবে,আপনি একা যাচ্ছেন।আমি সরাসরি বিমানবন্দরে যাব।অফিস থেকে অসুস্থ বলে দু’দিন আগেই ছুটি নিয়ে নিব।সেই ঠিক হলো।আমি ওর পাসপোর্ট ভিসার ব্যাবস্থা নিজে করলাম।অফিসের আর কাউকে জানালাম না।
আমার বউ এর সাথে এখন সম্পর্ক এমনিতেই খারাপ।ভাল থাকলেও আমার বউ আমাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সাধারণত আসে না(যদি না ওকে ও সাথে নিয়ে যাই)।কিন্তু এবার বলল,তোমাকে এয়ারপোর্টেএ পৌছে দিয়ে আসব,তুমি তো বলো এখন নাকি আমি তোমাকে ভালবাসি না!আমি নিষেদ করলাম, কিন্তু, ও নাছোড় বান্দা।আমি তো ভয়ে শেষ।আমি তারা তারী কল করে শায়লাকে বললাম।শায়লা বলল, ভয় নেই স্যার, ভাবী দেখবে না।আপনি শুধু একটু দেরী করে বের হবেন।
আমার বউ এর শত তাড়া শর্তেও অনেক দেরী করে বের হলাম।পরে ভয় হচিছল, না জানি প্লেন মিস করি।যাইহোক বিমান বন্দর পর্যন্ত এসে আমার বউ এর ভালবাসা চলে গেল।আমাকে নামিয়ে দিয়ে তার এক বান্ধবীর বাসা আছে উত্তরায়, সেখানে যাবে।আমার বউ এর কাছে বিদায় নিয়ে তাড়াহুড়া কওে ছুটলাম।বডিং পাস সংগ্রহ করে দেখি শায়লা দাড়িয়ে আছে।আমি মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম,কারণ শায়লা আগে কখনও বিদেশে যায়নি।কিন্তু আমাদের এখানে চাকরী করতে এসে ইংলিস শিখেছে এবং অনেক বিদেশীর সাথে নিয়মিত ইমেইল এবং সরাসরি কথা বলেছে।
প্লেন জার্নিতে সাধারণ গল্প করতে করতেই কাটল।মাঝে অবশ্য ট্রানজিট ছিল।নিউজিল্যান্ডে আমাদের মিশন ১০০ ভাগ সাকসেস হলো।শায়লা তার দায়িত্ব খুব ভালভাবে পালন করল।কাজ শেষে আমি বললাম চলো অকল্যান্ড থেকে ঘুরে আসি।আমি বোকার মতো (বা ওভার কনফিডেন্ট থাকার কারণে) অকল্যান্ড পুছে বে আফ আইল্যান্ডে সারা দিনের জন্য (পুরো ১০ ঘন্টার) ট্যুর বুকিং দিলাম।অকল্যান্ডে পুছেই ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে ১০ ঘন্টার ট্যুর নিলাম।এর মাঝে ফেরী দিয়ে পার হলাম, শপিং করলাম।পুরো বিবরণ দিয়ে বিরক্ত উতপাদন করব না।ট্যুর শেষ করে এসে পরলাম এক চরম ঝামেলায়।এখন সিজন।কোন হোটেলে রুম খালি নেই।শেষে একটা কটেজে পেলাম, শুধু এক রুম।আমি ভয়ে ভয়ে শায়লার দিকে তাকালাম।ও বলল, আমাদের একরুমেই তো চলবে।আমি বললাম বেড তো একটা।ও বলল, তাতে কি।বালিশ দিয়ে দু’ভাগ করে নিব।
টানা জার্নিও ধকলে, চোখ টানতে লাগল।সামন্য স্নক্রা খেয়েই শুয়ে পড়লাম।দু’জন দু পাশে, আর মাঝে বালিশ।আমার স্বভাব হলো কোল বালিশ কোলে না দিয়ে ঘুমাতে পারি না।অটোমেটিক কখন যেনো কোল বালিশ কোলে দিয়ে দিয়েছি।এরপর ঘুমের মাঝেই কোল বালিশ নিয়ে অন্যদিকে ফিরলাম।এরপর মনে নেই।এক সময় ঘুম ভাংতে দেখলাম আমি শায়লাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছি।আমার একটা হাত শায়লার বুকের উপর।আমার নিজের অজানন্তেই শায়লার ঠোটে আমার ঠোট বসল এবং অবাক হয়ে দেখলাম, শায়লাও সাড়া দিচ্ছে।আমি প্রথম শুধু চুমু দিতে তাকলাম সারা মুখে।এরপর ঠোট চুষতে শুরু করলাম।হাত চলছিল শায়লার সারা শরীর এ।এক সময় আমি পাগলের মতো শায়লাকে চুমু দিতে দিতে বুকের কাছে নেমে ওর টি-শার্ট উপরে তুললাম॥ও ব্রা পরেনি।আমি ওর দুধ চুষা শুরু করলাম।এরপর নামতে থাকলাম।ওর জীন্সের প্যান্টের জীপার খুলে নিচে নামিয়ে দিলাম।বের হয়ে এলো ওর ভোদা।আমি আর দেরী না কওে চুষা শুরু করলাম।এদিকে শায়লার জোওে জোওে নিশ্বাস শুনতে পাচ্ছি।ভোদ চুষতে চুষতে আমার সোনার আগায় মাল চলে এলো।আসলে সারাদিনের টায়ার্ডনেসের কারনেই।আমি আর দেরী না কওে ঢুকাতে গেলেই ও ব্যাথায় চিতকার দেয়।এদিকে একটা বাজে ব্যাপার হলো, ঢুকানোর এই চ্যাষ্টার মধ্যেই আমার মাল পড়ে গেল।আমি ওকে কিছু বুঝতে না দিয়ে জানতে চাইলাম ব্যাধা কি বেশী লাগছে? তারপর টুকটাক দু’একটা কথা বললাম।যেমন,তুমি মনে করো না শুধু ঘুমের ঘোরই কারণ।আমি কিন্তু তোমাকে ভালবাসি আর এই ভালবাসার অধিকারেই এটি করতে যাচ্ছি।তুমি যদি এখনও চাও, বাদ দিতে পার।ওর সমর্থন পেয়ে চুমু খেলাম আবার।আবার দুধ চুষা শুরু করতেই সোনা রেসপন্স করা শুরু করল।আমি এবার দ্বীগুণ উৎসাহে পুরো ঢুকিয়ে দিলাম।ও দাত চেপে সহ্য করল।দ্বিতীয়বার যেহেতু, এবার বেশ সময় নিয়ে লাগালাম।ঘড়ি ছিল না।তাই কতক্ষন লাগিয়েছি বলতে পারবনা।এরপর মাল ফালানোর সময় হয়েছে যখন জানতে চাইলাম মাসিক কবে হয়েছে।বলল, ২২ দিন আগে। দ্বিগুন উৎসাহে শায়লার ভিতরে মাল ফেললাম। সেই রাতে আরেকবার লাগালাগি হয়েছিল।তখন শায়লা আমার সোনা চুষে দিয়েছিল।কিন্তু খুব আনাড়ির মতো।সোনা চুষায় খুব বেশী মজা পাই নেই।
সকালে উঠে হলো মজা।দেখি বিছানায় রক্তের দাগ।আমি অবশ্য চেয়েছিলাম, বেড শিট টা স্মিতি হিসেবে নিয়ে নেই।শায়লা দিল না। এরপর দেশে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত শায়লাই আমার বউ এর মতো আছে।সারাদিন অফিসে আমার সাথে থাকে।যখন ইচ্ছে হয়, একটা ফ্লাট নিয়েছি শায়লার নামে,সেখানে চলে যাই।লাগালাগি করে আবার অফিসে ফিরি।রাতে অবশ্য আমিও বাসায় যাই, শায়লাও বাসায় যায়।এখন আমার বউ এর সাথেও লাগালাগিতে মজা পাই।ওর সাথে আগের মতো খারাপ সম্পর্কও নেই।

ভালবাসা নিয়ে ১০টি মজার তথ্য (একটু জানুন, একটু হাসুন)

ভালবাসা জীবনের আলো। ভালবাসা জীবন যাপনের মানকে উন্নত করে, মানুষকে করে স্মার্ট। একথাটি যারা না মানে, তাদের জ্ঞাতার্থে বৈজ্ঞানিক মজার কিছু তথ্য তুলে ধরা হল:

১. যখন মানুষ প্রিয়জনক ঠোট চুম্বন করে তখন সে মাথা বাম দিকে না নুইয়ে ডান দিকে বাকিয়ে নিয়ে যায় (৬০% ব্যক্তির ক্ষেত্রেই এরকম হয়)
২. বিজ্ঞরা বলে থাকে দুটি নদীর সংযোগ স্থলে ০৪ হাজার বছর আগে ভালবাসার গান লিখে রাখা হয়েছিল।
৩. ৫ ভাগের ১ ভাগ ভালবাসা একতরফা হয় পরবর্তীতে দুজনদুজনাতে জড়িয়ে যায়।
৪. ভালবাসায় পতিত হলে মানুষের মন ও দেহ শান্ত থাকে। তাদের নার্ভস লেবেল উন্নয়ন হয় এবং স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৫. সম্প্রতি একটি জরীপে ভালবাসার কেন্দ্র সংযোজক Philadelphia International Airport সব চেয়ে ভাল বিমান বন্দর হিসাবে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে।
৬. ভালবাসা হার্টরেট বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের ভিতরের ভয় দূর করে।
৭. যে সকল লোক নিয়মিত প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে কিস করে তারা ৫ বছর বেশি বাচে যারা করে না তাদের চেয়ে।
৮. প্রেমিকাকে ডায়মন্ড প্রদান দুজনের মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধি করে।
৯. নতুন প্রেমিক প্রেমিকাদের হরমোন ডিসঅরডার সমাধানে প্রেমের ভূমিকা অত্যধিক।
১০. ভালবাসার মানুষকে খুজে নিতে কমপক্ষে ১২ জন মানুষের সাথে ডেট করা উচিত তাতে প্রকৃত জুটি মেলার সম্ভাবনা বেশি।

তৃতীয়বার বিয়ের পিড়িঁতে রুমি!

কথায় বলে, ন্যাড়া বেল তলায় বার বার যায় না। কিন্তু এ প্রবাদকে কার্যত মিথ্যাই প্রমাণ করলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আরেফিন রুমি।
 
প্রথম স্ত্রী বর্তমান থাকা অবস্থায় গত বছরের ২৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র-প্রবাসী কামরুন নেসাকে বিয়ে করেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী আরফিন রুমি। এ নিয়ে তখন কোনই উচ্চবাচ্য করেননি প্রথম স্ত্রী অনন্যা। একমাত্র সন্তান আরিযানের মুখের দিকে তাকিয়ে সব কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। পরের গল্প সবারই জানা।
 
এরপর সুযোগ পেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরেছেন রুমি। করেছেন আনন্দ-ফূর্তি। এমনকি শ্বশুরবাড়ি যুক্তরাষ্ট্রেও গিয়েছেন তিনি। সেখান তৈরি করেছেন স্টুডিও। কিন্তু রুমি-নেসার সুখের ঘরেও এবার শুরু হয়েছে দুঃখের আগুন।
 
রুমি এবার নিউইয়র্ক প্রবাসী এক তরুনীর প্রেমে হাবুডুবু্ খাচ্ছেন। এ মেয়ে আবার রুমির প্রথম স্ত্রী অনন্যার বান্ধবী। ছোটবেলা থেকেই তার অনন্যার সঙ্গে মেলামেশা। আর সেই থেকে রুমির গানের একনিষ্ট ভক্ত। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে রুমির গান না শুনলে তার চোখের পাতা এক হয় না! সেই ভক্তকে নিয়ে এবার মেতেছেন রুমি। সুযোগ পেলেই দেখা করছেন, গানও শোনাচ্ছেন। আর এ খবর যে একেবারে চাপা আছে তা কিন্তু না।
 
অনন্যা-কামরুন নেসা দুজনই শুনেছেন এ খবর। এমুখ-ওমুখ হতে হতে ফেসবুকেও এ খবর ছড়িয়েছে। আর সবমিলিয়ে আগুন শুরু হয়েছে দুই সংসারেই। জানা গেছে, এ নিয়ে অনন্যা প্রকাশ্যে কথা না বললেও নেসা রুমিকে অনেক বকাঝকা করেছেন।
 
শুধু তাই নয়, এ নিয়ে বেশ ক’দিন কথাও বন্ধ ছিল দুজনের। এখন রুমি কি করেন তা শুধু সময়ই বলে দিতে পারে।

   

সত্যি ইন্সপারেশন।

গতকাল সন্ধ্যায় কুমিল্লার টমসম ব্রীজ থেকে বাসায় আসার জন্য এই রিক্সাওয়ালার রিক্সায় চড়ি। কিন্তু তার আচড়নটা আমার কাছে একটু ভিন্ন মনে হলো। কথার স্টাইল অনেক স্মার্ট। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে জানলাম ছেলেটির নাম বোরহান উদ্দিন। চাঁদপুর টেকনিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। নিজে স্ট্রাগল না করলে প্রাইমারি স্কুল থেকে হাইস্কুলের ভর্তি করার সামর্থ ছিলনা তার পরিবারের। জিজ্ঞেস করলাম, রিক্সা চালিয়ে পড়াশুনা করতে সমস্যা হয় না, টায়ার্ড লাগেনা? ছেলেটির উত্তর, ”এখনইতো পরিশ্রম করার বয়স। আমার সন্তানকে যেন রিক্সা চালিয়ে বাঁচতে না হয় সে জন্য নিজে রিক্সা চলিয়ে পড়াশুনা করছি। আজ থেকে তৃতীয় বর্ষের ক্লাশ শুরু হয়েছে। সবাই ক্লাশ করছে, আমার মনটা অনেক খারাপ যেতে পারছি না। আরো ১০০০ টাকা আয় করতে হবে। বাড়ি গিয়ে বই কিনব, ২ বস্তা চাল কিনব। আর ক্লাশে তো যেনতেন জামাকাপড় পড়ে যাওয়া যায় না। বন্ধুদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়।” ছবি তুলে ফেইসবুকে দেয়ার অনুমতি চাইলে সে বলল, ”দেন কোন সমস্যা নাই। রিক্সা চালাই, চুরিতো আর করি না। একদিন এসি গাড়িতে আমার ড্রাইভার গাড়ি চালাবে আর আমি পেছনে বসে ল্যাপটপে কাজ করব।” তার শেষ কথাটা আমার রক্তে কেমন যেন শিহরন জাগিয়ে গেল। সত্যি ইন্সপারেশন।

এই সত্য ঘটনাটি পাঠিয়েছেন By: S M Nahid Rahman
collected from:  facebook

Friday, June 7, 2013

ছেলের পক্ষ নিলেন আদিত্য পাঞ্চলি

লিউডের অভিনেত্রী জিয়া খান। সম্প্রতি তিনি আত্মহত্যা করেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে তাঁর প্রেমিক সুরজ পাঞ্চলিকে। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে জিয়া সর্বশেষ ফোনে কথা বলেছিলেন তাঁর সঙ্গে। এ জন্য পুলিশি জেরার মুখেও পড়তে হয়েছে সুরজকে। কিন্তু সুরজের কোনো দোষ নেই বলেই মত দিয়েছেন তাঁর বাবা ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চলি। সম্প্রতি ছেলের পক্ষ নিয়েই কথা বলেছেন এ তারকা অভিনেতা।
ভারতের শীর্ষস্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় সাক্ষাত্কার দেওয়ার সময় আদিত্য বলেন, ‘সুরজ কী দোষ করেছে? অহেতুক কেন তাকে এ ধরনের অপবাদ দেওয়া হচ্ছে? চমত্কার একটি আবেগের নাম হলো ভালোবাসা। নানা কারণে সুন্দর এই সম্পর্কে দুর্যোগের ঘনঘটা আসতেই পারে। হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে।’ জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।
আদিত্য আরও বলেন, ‘প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েনের জন্য কখনোই একপক্ষকে দায়ী করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে একপেশে রায় দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। জিয়ার মৃত্যুতে প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছে সুরজ। সে গভীরভাবে মর্মাহত। শুধু সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণেই জিয়া আত্মহত্যা করেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।’
বলিউডের উঠতি অভিনেত্রী জিয়া খান জুহু বিচসংলগ্ন নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন ৩ জুন, সোমবার রাতে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গলায় ফাঁস লাগানোর কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জিয়া। অনাকাঙ্ক্ষিত এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে মুম্বাই পুলিশ জিয়ার আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও সহকারীদের পাশাপাশি তাঁর প্রেমিক সুরজকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

বলিউডে ডুবন্ত ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক দিন থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন জিয়া খান। আট মাস আগে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কবজির রগ কেটে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলেও, সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী। তাঁর শয়নকক্ষে ভেষজ ঘুমের বড়িও খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ।
জিয়া খান শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয় করেছিলেন ১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দিল সে’ ছবিতে। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০০৭ সালে অভিনয় করেন রাম গোপাল ভার্মার ‘নিঃশব্দ’ ছবিতে। ছবিটিতে অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন জিয়া। পরে অভিনয় করেন ‘গজনি’ ও ‘হাউসফুল’ ছবিতে। ২৫ বছর বয়সী জিয়া খানের বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে। কিছুদিন আগে মা রাবেয়া আমিনের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে মুম্বাইয়ে চলে আসেন তিনি। থাকতেন জুহু বিচসংলগ্ন সাগর সংগীত নামের একটি ফ্ল্যাটে।
সম্প্রতি জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর ‘নিঃশব্দ’ ছবির প্রযোজক ও পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা এক টুইটার বার্তায় লেখেন, ‘জিয়া “নিঃশব্দ” ছবিতে অনবদ্য অভিনয় উপহার দিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল। তাঁর অভিনীত “গজনি” (২০০৮) এবং “হাউসফুল” (২০১০) ছবিগুলোও সাফল্যের মুখ দেখে। তার পরও তিন বছর ধরে তাঁর হাতে কোনো কাজ ছিল না।’

ভার্মা আরও লিখেছেন, ‘আমি ঠিক জানি না, জিয়ার ক্ষেত্রে কেন এমনটা ঘটেছিল। বিষয়টি নিয়ে তিনি দারুণ হতাশায় ভুগছিলেন। নিজের ভবিষ্যত্ নিয়ে প্রচণ্ড শঙ্কিত ছিলেন জিয়া। তাঁর সঙ্গে আমার সর্বশেষ সাক্ষাতের সময় তিনি বলেছিলেন, আশপাশের সবার সাফল্য দেখে নিজেকে চরম ব্যর্থ মনে করছেন তিনি।’