Monday, June 10, 2013

আপনার যোনি সুস্থ রাখুন

এটি "সাধারন" যোনি কি. নারী অধিকাংশ মহিলার know.Each না এবং তার যোনি অনন্য. তারা সাধারণ বৈশিষ্ট্য ভাগ হলেও, মহিলা তার নিজস্ব গন্ধ এবং তার মাসিক চক্র সঙ্গে পরিবর্তিত হয় যে স্রাব একটি পরিমাণ আছে. যোনি যৌন সংসর্গ এবং শারীরিক কার্যকলাপ প্রতিক্রিয়ায় তরল উত্পাদন. আপনি সাদা বা হলুদ এবং একটি স্বতন্ত্র, কিন্তু খারাপ হয় না যে আপনার আন্ডারওয়্যার উপর অসম্মান staining খেয়াল করতে পারেন. এটা স্বাভাবিক ব্যাপার.
যোনি ভারসাম্য ধ্বংস করতে পারেন যে অনেক দিক:

     দরিদ্র স্বাস্থ্যবিধি
     অসুস্থতা
     ওরাল contraceptives এবং অ্যান্টিবায়োটিক মত ড্রাগস vaginosis অবদান রাখতে পারেন.
     Lactobacilli নিম্ন মাত্রার
     Douching যোনি জন্য সত্যিই খারাপ.
     শুক্রাণু অত্যন্ত ক্ষারীয়, তাই তারা যোনি মধ্যে এসে পৌঁছলে, যোনি তার আম্লিক অবস্থা স্থিতাবস্থা থেকে নিজেকে ফিরে হার্ড অতিরিক্ত কাজ করার প্রয়োজন হয়, এই গন্ধ একটি সংক্ষিপ্ত বৃদ্ধি হতে পারে.

সাধারণভাবে, আপনার যৌনাঙ্গে এলাকায় শুষ্ক এবং ভাল aired পালন দ্বারা যোনি জ্বালা এড়াতে পারবেন. আপনি নিম্নলিখিত উপায়ে এই কাজ করতে পারেন:

     শুধুমাত্র তুলো আন্ডারওয়্যার পরেন;
     Douche না;
     আপনি একাধিক অংশীদার আছে যদি কনডম ব্যবহার করা হবে;
     নিয়মিত প্যাড এবং tampons পরিবর্তন - অন্তত প্রতি 4-8 ঘন্টা;
     যোনি থেকে স্প্রে এবং deodorants এড়াতে;
     শুধুমাত্র unscented প্যাড এবং tampons ব্যবহার;
     প্যাড এবং tampons ব্যবহার করে বিকল্প অন্বেষণ;
     পরিধান এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্রীড়া জামাকাপড় সাঁতার কাটা স্যাঁতসেঁতে অপসারণ;
     টাইট চোস্ত জামাকাপড় এবং আপনার ত্বক পরবর্তী পরা কৃত্রিম উপকরণ এড়াতে;
     একটি অন্ত্র আন্দোলন urinating বা থাকার পরে ব্যাক সামনে থেকে নিশ্চিহ্ন করা;

মেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্য

ছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে চোদাচুদি থাক দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব ভোদা দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ
১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে চোদাচুদি করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস না চুদে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম চোদাচুদির চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে চোদার চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন মাল বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে। মেয়েদের “মাল আউট” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য চোদাচুদির কোন দরকার নেই।
৬. ভোদায় ধোন ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা ধোনের চেয়ে মোটা ধোনে মজা বেশী। লম্বা ধোনে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের ভোদার সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, ধোনের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় ধোনের দরকার হয় না। বাচ্চা পোলার ধোনেও এই মজা দিতে পারে।

পুরুষত্বহীনতা

কোন পুরুষের প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা হবে তা আগে থেকে বলা যায় না। আবার কেউ অন্যকে শেখাতে পারে না লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি। লিঙ্গের উত্থান একটি প্রাকৃতিক অবস্থা। রেসপিরেটোরি, সারকুলেটরী এবং স্নায়ুবিক কারণে লিঙ্গ উত্থিত হয়। কিন্তু আসল কারণটি হলো প্রাকৃতিক। তবে অনেক ক্ষেত্রে যৌন মনোদৈহিক সামাজিক কারণে ও অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণগুলো পুরুষত্বহীনতার জন্য স্বাভাবিকভাবে দায়ী সেগুলো হলো–
কঠিন ধর্মীয় বিশ্বাস।
যৌনতার জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা।
মাতৃত্বের কঠিন চাপ।
সমকামিতা পছন্দ করা।
নারীদেরকে ঘৃণা করা।
পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রলম্বিত হতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে যৌন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় এ রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নারীর উচিত পুরুষকে এ ব্যাপারে সহায্য করা। স্ত্রীর উচিত স্বামীকে সাহায্য করা। নৈতিক, সমাজিক,আর্থ-সমাজিক প্রোপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহন করা হয় সে গুলো হলো–

যৌনতার পরিপূর্ণ শিক্ষাদান।
সাইকোথেরাপী।
রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ানো।
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিঙ দেয়া।
নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেসটোস্টেরন ইনফেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া।
যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সমনে উপস্থিত করা। এক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
পেপাভেরিন ইনকেজশন লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে।
রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন।
যৌন উদ্দীপক গ্রন্থ পড়া উচিত।

চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা-
অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে যৌনমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানা কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে। মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে–

১. দাম্পত্য সমস্যা।
২. ধর্মীয় কুসংস্কার।
৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা।
৪. পূর্বের যৌন অমতার জন্য পাপবোধ।
৫. অকাল বীর্যপাত।
৬. যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।
৭. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।

অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-
১. এনাটোমিকাল বড় হাইড্রোসেল টঙিকুলার ফাইব্রোসিস।
২. কার্ডিওরেসপেরেটোরী মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন ইনজিনা ফাইমোসিস।
৩. জেনিটো ইউরিনারী প্রিয়াপিজম প্রোসটাটিটিস ইউরেথ্রিটিস প্রোসটাটেকটমী।
৪. এন্ড্রোক্রাইনাল, ডায়াবেটিস থাইরোটঙিকোসিস স্থুলতা ইনফা্যান্টালিজম ক্যাসট্রেশন এক্রোমেগালি।
৫. নিউরোলজিক্যাল, মাল্টিপোল, সিরোসিস, অপুষ্টি, পারকিনসন্স অসুখ, টেমপোরাল লবের সমস্যা, স্পাইরাল কর্ডের আঘাত, ই.সি.টি।
৬. ইনফেকশন, টিউবারকিলোসিস, গনোরিয়া, মাম্পস।
৭. ড্রাগ নির্ভরতা, এলকোহল সেবন, স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ, এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ, সাইকোট্রপিকস ওষুধ, যেমন-ইমিপ্রামিন, ডিউরেটিঙ। যেমন-রেজারপাইন।

রোগ নির্ণয়-
যে কোনো ধরণের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত যৌন সমস্যা কেন সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারণের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষ উত্থান সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয়–

১. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস,
২. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।
৩. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।
৪. রোগীর লিঙ্গ পরীক্ষা।
৫. ল্যাবটেষ্ট।
৬. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরি।

রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয় । ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটির কারন শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নিরীার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা ল্য করা। এছাড়া ও স্নায়ু এবং তলপেট ব্যবস্থা কতটুকু সুস্থ আছে এটিও ডাক্তারদেরকে জানতে হয়। লিঙ্গ পরীক্ষার সময় ডাক্তার যে বিষয়গুলো ল্য করেন।
প্রিপিউজ-ফাইমোসিসের জন্য।
মূত্রনালীর মুখ- স্টেনোসিসের জন্য।
অন্ডথলি-হাইড্রোসেলের জন্য।
করপরা কেভারনোসা-যে কোনো প্রকার ফাইব্রেসিসের জন্য।

ল্যাবরেটরী টেষ্ট-
ল্যাবরেটরীতে ডাক্তার রোগীর বিভিন্ন শারীরিক বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। এতে করে দ্রুত সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়। ল্যাবরেটরীতে পুরুষত্বহীনতার জন্য যে সমস্ত টেষ্ট করানো হয় সেগুলো হলো–

সি.বি.সি।
ই.এস.আর।
মূত্র পরীক্ষা।
লিভারের এনজাইম পরীক্ষা।
বীর্য পরীক্ষা।
থুথু পরীক্ষা।
এস এম এ ১২।
টেসটোসটেরন স্তন পরীক্ষা।
প্রেল্যাকটিন স্তন পরীক্ষা।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে। এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গভেষণার বিষয় তিনটি হলো–

১. যৌনতার ব্যাপার পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।
২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।
৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারণে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোনো রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।

যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।
যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। এবং পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপের একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।
যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানানো উচিত। অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরী হতে পারে। এ ব্যাপারটি দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত।
পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। বিশেষ করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, কিটোরিস ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের স্পর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে।
লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরী করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। 

শারীরিক মিলনের নানা দিক

ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে—
* ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়| আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
* জীবন কাল বাড়ে : নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
* ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় : বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
* পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় : যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
* মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি : মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
* ভালোবাসা বাড়ে : শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
* কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে : শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

* ভালো ঘুম হয় : শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
* আত্মবিশ্বাস বাড়ে : শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
* ওজন কমে : শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
* সৌন্দর্য্য বাড়ে : শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
* ভালো ত্বক : শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
* প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় : নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
* হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি : শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
* কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি : মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
* বিস্বস্ত তা বাড়ে : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
* রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় : শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শ

রানি প্রথম এলিজাবেথ পুরুষ ছিলেন!

 টিউডর বংশের যে রানি প্রথম এলিজাবেথকে এত দিন মহান সম্রাজ্ঞী হিসেবে চিনে, জেনে, মেনে এসেছেন ব্রিটেনবাসী, তিনি নাকি পুরুষ। নিছক নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে এক সাদামাটা গ্রাম্য বালককে প্রথম এলিজাবেথ সাজিয়ে রাজা অষ্টম হেনরির সামনে হাজির করেছিলেন তার দুই সভাসদ। সেই গ্রাম্য বালককেই এত দিন ধরে প্রথম এলিজাবেথ হিসেবে জেনে এসেছে ব্রিটেন।
 
তাঁর নতুন উপন্যাস নিউ ইয়র্কের ব্যালান্টাইন বুকস থেকে প্রকাশিত ‘দ্য কিংস ডিসেপশন’-এ এমনই দাবি করেছেন মার্কিন লেখক স্টিভ বেরি। এবং সেই দাবির পক্ষে বক্তব্য, পুরুষ হওয়ার কারণেই কখনও বিয়ে করেননি ‘প্রথম এলিজাবেথ’।
 
ইতিহাস বলছে, ১৫৫৮ সালে সিংহাসনে বসার পর প্রথম এলিজাবেথ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন বিয়ে করবেন না। স্পেনের তৎকালীন শাসক তাঁর বড় ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব পেড়েছিলেন এলিজাবেথের কাছে। কিন্তু রানি প্রত্যাখ্যান করেন তা। এর পর স্পেনের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। স্টিভের প্রশ্ন, বিবাহ সম্পর্ক তৈরি করে যে যুদ্ধ অনায়াসেই এড়াতে পারতেন, তাতে কেন জড়িয়ে পড়লেন রানি? পড়লেন, নিজের আসল পরিচয় ঢাকতে। যে পরিচয় লুকিয়ে আছে দক্ষিণ পশ্চিম ব্রিটেনের গ্লস্টারশায়ার কাউন্টির ছোট্ট গ্রাম কটসওল্ডে। এমনটাই দাবি ওই মার্কিন লেখকের।
 
স্টিভ লিখেছেন: সালটা ১৫৪৩। বছর দশেকের ছোট্ট এলিজাবেথ তখন কটসওল্ডে। লন্ডনে প্লেগ ছড়িয়েছে। তাই মেয়েকে বাঁচাতে কটসওল্ডে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজা অষ্টম হেনরী। বেশ কিছু দিন পরে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই বিপর্যয়। রাজা আসার আগের দিন রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এলিজাবেথ। প্রথমে জ্বর, তার পর বমি, তড়কা। অসুস্থতা ক্রমেই বাড়ছে। পর দিন সকালে মারাই গেলেন এলিজাবেথ। অষ্টম হেনরির কটসওল্ড পৌঁছতে তখন আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি।
 
প্রমাদ গুনলেন এলিজাবেথের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা লেডি ক্যাট অ্যাশলে এবং টমাস প্যারি। এখন কী হবে! মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পেলে রাজা গর্দান তো নেবেনই, মারবেন দগ্ধে দগ্ধে। কারণ, এলিজাবেথকে রক্ষা করার ভার যে তাঁদের উপরেই ছিল।
 
প্রাণ বাঁচাতে তাই ফন্দি আঁটলেন ক্যাট এবং টমাস। রাজার সঙ্গে যে তাঁর মেয়ের দেখা সাক্ষাৎ বিশেষ হতো না, সে খবর জানা ছিল তাঁদের। এলিজাবেথ ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। তাঁর মায়ের গর্দান নিয়েছিলেন যে বাবা, তাঁর সঙ্গে কথাও বলতেও ভয়ে কাঁপতেন তিনি।
 
তাই রাজার চোখে ধুলো দেওয়া যাবে মনে করে প্রথমে এলিজাবেথের মতো দেখতে একটা মেয়ে জোগাড় করার চেষ্টা চালালেন ক্যাট ও টমাস। সম্ভবত খানিকটা সময় কিনতে। যাতে রাজা বুঝে ওঠার আগে তাঁরা পালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু কপাল মন্দ। কটসওল্ডে বাসিন্দার সংখ্যা বেশি নয়।
 
তেমন কোনও মেয়ে পাওয়া গেল না। তখন যা থাকে কপালে ভেবে গ্রামের এক সাদামাটা বালক, নাম নেভিল, তাকেই এলিজাবেথ সাজিয়ে হাজির করলেন হেনরির সামনে। আশ্চর্য এই যে, বাবাও বুঝতে পারলেন না, এ তাঁর মেয়ে নয়।
 
ক্যাট আর টমাস বুঝলেন, কেল্লা ফতে। স্বয়ং রাজাকে যখন ঠকানো গিয়েছে, তখন বাকিরা কোন ছার! আর রাজবাড়ির কারও সঙ্গেই এলিজাবেথ বিশেষ কথার্বাতা বলতেন না। ফলে আসল-নকলে কেউ ফারাক করতে পারবে না এমনটাই মনে হয়েছিল তাঁদের। নেভিলের বদলে একটা মেয়ে জোগাড় করার চেষ্টা অবশ্য চালিয়েছিলেন ক্যাট-টমাস। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে ঠিক করলেন, নেভিলকে রাজকীয় আদবকায়দা শিখিয়ে দেওয়াটাই নিজেদের পিঠ বাঁচানোর সব চেয়ে ভাল উপায়। স্টিভের দাবি, কৌশলটা কাজে লেগে গিয়েছিল। শেষ দিন পর্যন্ত বিশেষ কেউ জানতে পারেননি সত্যিটা।
 
খালি একজন ছাড়া। তিনি এলিজাবেথের চিফ মিনিস্টার উইলিয়াম সেসিল। সেসিল অবশ্য শেষ দিন পর্যন্ত সেই রহস্য ফাঁস করেননি। স্টিভের মতে, এর কারণটা ছিল এই যে, সত্যিটা ফাঁস হয়ে গেলে, ব্রিটেনে গৃহযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ত। কারণ, টিউডর বংশের উত্তরাধিকারি হিসেবে তখন সে অর্থে সিংহাসনের আর কেউ দাবিদার নেই। তাই বাধ্য হয়েই মুখ বন্ধ রেখেছিলেন সেসিল।
 
তার পর টেমস দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। চার শতকেরও বেশি সময় পুরনো সেই সত্য যে গুটিকয় মানুষ জানতেন, মারা গিয়েছেন তাঁরাও। খালি কটসওল্ডে গুজব আকারে কাহিনিটি ঘোরাফেরা করে। সেই গুজবের সূত্র ধরেই উপন্যাস লিখেছেন স্টিভ। যদিও তাঁর দাবি, এ নিছক গল্প নয়। এ হল, রাজ ইতিহাসের প্রাচীনতম চক্রান্ত। দেড় বছর নানা তথ্য ঘেঁটে যে চক্রান্তের রোমহর্ষক বিবরণ লিখেছেন স্টিভ।
 
এলিজাবেথ যে আদতে পুরুষ ছিলেন তা বোঝাতে বেশ কিছু পরোক্ষ প্রমাণ তুলে ধরেছেন ‘দ্য কিংস ডিসেপশন’-এর লেখক। বলেছেন, কটসওল্ড থেকে লন্ডনে ফেরার পর যখন ফের লেখাপড়া শুরু করেন কিশোরী এলিজাবেথ, তখন তাঁর স্বভাব, আচরণের পরিবর্তন দেখে প্রচণ্ড বিস্মিত হন তার গৃহশিক্ষক। এমনকী, নরম, পেলব এলিজাবেথের শারীরিক গড়ন পাল্টে পুরুষালি হতে থাকে। এলিজাবেথের আগের ও পরের ছবির মধ্যে সেই ফারাক স্পষ্ট।
 
কিন্তু এ সবই তো অনুমান। পাথুরে প্রমাণ জোগাড় করতে তাই স্টিভের দাবি, অবিলম্বে খোঁড়া হোক প্রথম এলিজাবেথের কবর। ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হোক, তা ছেলে না মেয়ের।

   

মাদকাসক্ত দম্পতির কাণ্ড!

মাদকের নেশার টাকা জোগার করতে না পেরে নিজের শিশু সন্তানকে হিজড়ার কাছে বিক্রি করে দিলেন এক মাদকাসক্ত দম্পতি। মাত্র এক হাজার একশত এক টাকা এবং দু’টি শাড়ীর বিনিময়ে এই শিশুটিকে বিক্রি করা হয়।

হাকিমপুর উপজেলার মধ্যবাসুদেবপুরের চুড়িপট্টি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চ্যলের সৃষ্টি হয়েছে।

চুরিপট্টি গ্রামের রেজাউল করিম জানান, দুলালি(কালি)হিজড়া (৪০) দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে আমার বাড়ীতে ভাড়া থাকে। শনিবার বিকেলের দিকে মাদকাসক্ত স্বামী-স্ত্রী দু’জনই বাড়ীতে ঢুকে তাঁর কোলের শিশুপুত্রকে  আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া দুলালি হিজড়ার কাছে বিক্রি করে।

দুলালি (কালি)হিজড়া বলেন, বাচ্চার মা ও বাবা দু’জনই হেরোইন খায়। তাঁরা হেরোইন খাওয়ার টাকা না পেয়ে তাদের শিশু সন্তানকে আমার কাছে বিক্রি করে। আমার বড় বোনের কোনো ছেলে মেয়ে না থাকায় আমি বাচ্চাটিকে তাদের জন্য কিনে নেই। এক হাজার একশত এক টাকা এবং দু’টি শাড়ীর বিনিময়ে বাচ্চাটিকে আমি কিনি।

তিনি আরও জানান, বাচ্চাটিকে ঠিকমত দুধসহ অন্যান্য খাবার দিতে না পারায় বাচ্চাটি ওই সময় খুব কান্নাকাটি করছিল। এ কারণে আমার মায়া লাগায় আমি বাচ্চাটিকে লালন-পালনের জন্য কিনে নেই। শনিবার বাচ্চাটিকে কিনে নেওয়ার পর থেকে কৌটার দুধ, গরুর দুধ কিনে খাওয়াচ্ছি।যত্নকরায় বাচ্চাটি ফুটফুটে হয়েছে।

প্রতিবেশি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, নেশার টাকা যোগাড় করতে না পেয়ে মাদকাসক্ত স্বামী-স্ত্রী তাদের ফুটফুটে শিশু সন্তানটিকে বিক্রি করেছে। প্রতিদিন তাঁরা এই চুড়িপট্টিতে এসে হেরোইন খেয়ে আবার চলে যায়। বাচ্চার বাবার নাম শামছুল আর মায়ের নাম নুরজাহান বলে তিনি জানান।

দুলালি(কালি) হিজড়ার ভগ্নিপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাতে দুলালি ফোন করে জানায় তোমাদের জন্য একটা বাচ্চা কিনেছি। তোমরা কাল (আজ রোববার) চলে আসো। তাই নাটোরের বাগাতিপাড়ার বাটিকামারী থেকে বাচ্চাটিকে নিতে এসেছি।

দুলালি (কালি) হিজরার বোন আলেয়া বেগম (৪৫) আবেগাপ্লাতু হয়ে বলেন, বাচ্চাটিকে পেয়ে আমার উজার কোল আলোকিত হয়েছে। আমার জীবন এখন পূর্ণ হলো। আমরা বাচ্চার নাম রেখেছি শাহা আলম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মাদকসেবি বলেন, আমরা জানি বাচ্চার মা ও বাবার বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে। সেখান থেকে তাঁরা প্রতিদিন ট্রেনে করে হিলিতে এসে এপার-ওপারে (ভারত) খালি বোতল, পলিথিনসহ কাগজ কুড়ে বিক্রি করে যা জুটতো তাই দিয়ে দু’জনেই হেরোইন খেতো। কোনোদিন এখানে থাকে, আবার  কখনও পার্বতীপুরে চলে যায়।

স্থানিয় এলাকাবাসী রাশেদা বেগম ও মাছুদা বেগম বলেন, গত শীতের সময় হেরোইন খেতে এসে বাচ্চাটি পাশের একটি জায়গায় জন্ম নেয়। ওই সময় থেকে বাচ্চাটিকে দেখে আসছি। তাদের নেশার টাকা ও বাচ্চার খাবারের টাকা যোগাড় করতে না পারায় তারা বাচ্চাটিকে বিক্রি করেছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আহসান হাবীব বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
   

জিয়া খানের সুইসাইড নোটে যা লেখা ছিল

অনেকটা রহস্যের জন্ম দিয়ে কদিন আগে চলে গেছেন বলিউডের তরুণ অভিনেত্রী জিয়া খান। সত্যিই কি আত্মহত্যা করেছিলেন জিয়া? নাকি অন্যকোনো কারণ আছে এর পেছনে? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে জিয়া খানের লিখে যাওয়া সুইসাইড নোটে।    
 
‘এ চিঠি যখন সবাই পড়বে, তখন হয়তো আমি আর এ পৃথিবীতে থাকব না’—সদ্য প্রয়াত বলিউডের অভিনেত্রী জিয়া খানের সুইসাইড নোটের একটি লাইন এটি। উঠতি এই তারকার অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ছয় দিন পর পুলিশের কাছে এটি হস্তান্তর করেছেন জিয়া খানের পরিবারের সদস্যরা।
 
এ প্রসঙ্গে পশ্চিম মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিশ্বাস নাগরে পাতিলের উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ জানিয়েছে, ‘আমাদের কাছে নোটটি হস্তান্তর করেছেন জিয়া খানের মা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
 
জিয়ার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, গত শুক্রবার তাঁরা জিয়ার হাতের লেখা সুইসাইড নোটটি খুঁজে পান। ছয় পৃষ্ঠার নোটটিতে প্রেমিক সুরজ পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বিশদভাবে অনেক কিছুই লিখেছেন জিয়া। সুরজকে অনেক বিশ্বাস করলেও তাঁর কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার কথাও লিখেছেন তিনি।
 
অবশ্য নোটটি জিয়া কখন লিখেছিলেন কিংবা পরিবারের সদস্যরা সেটা কোথায় এবং কীভাবে খুঁজে পেয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ নোটের সঙ্গে জিয়া খানের হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যেই জিয়ার সুইসাইড নোটের কয়েকটি কপি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে।
 
বলিউডের উঠতি অভিনেত্রী জিয়া খান পশ্চিম মুম্বাইয়ের জুহু বিচসংলগ্ন নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন ৩ জুন, সোমবার রাতে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গলায় ফাঁস লাগানোর কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জিয়া।
 
 
অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে জিয়ার প্রেমিক সুরজ পাঞ্চোলিকে। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে জিয়া সর্বশেষ ফোনে কথা বলেছিলেন তাঁর সঙ্গে। এ জন্য পুলিশি জেরার মুখেও পড়তে হয়েছে সুরজকে। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।
 
এদিকে, জিয়া আত্মহত্যা করার পর থেকেই তাঁর মৃত্যুর জন্য সুরজকে দায়ী করার বিষয়টিকে মেনে নিতে পারেননি সুরজের বাবা ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি। এ প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, ‘সুরজ কী দোষ করেছে? অহেতুক কেন তাকে এ ধরনের অপবাদ দেওয়া হচ্ছে? নানা কারণে ভালোবাসার মতো সুন্দর একটি সম্পর্কে দুর্যোগের ঘনঘটা আসতেই পারে। হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে।’
 
আদিত্য আরও বলেন, ‘প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েনের জন্য কখনোই একপক্ষকে দায়ী করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে একপেশে রায় দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। জিয়ার মৃত্যুতে প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছে সুরজ। সে গভীরভাবে মর্মাহত। শুধু সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণেই জিয়া আত্মহত্যা করেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।’
 
বলিউডে ডুবন্ত ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক দিন থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন জিয়া খান। আট মাস আগে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কবজির রগ কেটে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলেও, সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী। তাঁর ঘরে ভেষজ ঘুমের বড়িও খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ।
 
জিয়া খান শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন ১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দিল সে’ ছবিতে। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০০৭ সালে অভিনয় করেন রাম গোপাল ভার্মার ‘নিঃশব্দ’ ছবিতে। ছবিটিতে অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন জিয়া। পরে অভিনয় করেন ‘গজনি’ (২০০৮) ও ‘হাউসফুল’ (২০১০) ছবিতে। ২৫ বছর বয়সী জিয়া খানের বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে। কিছুদিন আগে মা রাবেয়া আমিনের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে মুম্বাইয়ে চলে আসেন তিনি। থাকতেন জুহু বিচসংলগ্ন সাগর সংগীত নামের একটি ফ্ল্যাটে।